ভোলায় মানহীন ঔষধের ছাড়াছড়ি - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

ভোলায় মানহীন ঔষধের ছাড়াছড়ি



শিশির হাওলাদার, ভোলা জেলা প্রতিনিধি, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

মান বা গুণের দিক থেকে একেবারেই নিম্ম পর্যায়ের এমন প্রায় দুই শতাধিক আইটেমের ঔষধ ভোলায় বিক্রি হচ্ছে দেদারছে। জেলা শহর থেকে শুরু করে গ্রাম গঞ্জের হাটে বাজারে ওই সব মানহীন ঔষধের দৌঢ়াত্ম্যে ভাল মানের ঔষধ বিক্রেতারা এখন উদ্বিগ্ন। এমনকি উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য বিভাগ ও ভোলা জেলা ড্রাগ এন্ড ক্যামিস্ট সমিতির নেতৃবৃন্দ। তবে ঔষধের মান বিচারের কোন ব্যবস্থা বা দায়িত্ব ভোলা জেলা শহরের কারো কাছেই নেই।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, শতাধিক নাম সর্বস্ব এবং রেজিস্ট্রেশন বিহীন ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা রেজিস্টার্ড ডাক্তারদের কাছে না গিয়ে গ্রামগঞ্জের হাট বাজারের ঔষধের দোকানগুলোতে গিয়ে মানহীন ঔষধ বিক্রি করে।

 

দোকানীরা জানান, মানহীন ঔষধ বিক্রি করে অধিক লাভবান হওয়া যায়। অভিযোগ রয়েছে কোন কোন ঔষধ একশত টাকায় কিনে দোকানীরা ৩০০/- থেকে ৫০০/- টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দোকানী জানান, বাজারে নামি দামি কোম্পানির ভাল ঔষধের আদলে বিভিন্ন নিম্মমানের ঔষধ যেমন কো-সেকটিল, সেকলোটিল, সেকটিল, ফ্লুক্লোক্সাসিন, সিপ্রোপ্রোস্কাসিন এ ধরণের কাছাকাছি নাম দিয়ে বাজারে বিক্রি করা হয়। তবে এইসব ঔষধের মান ভাল না খারাপ তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।

 

ভোলা ড্রাগ এন্ড ক্যামিস্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: হাফিজুর রহমান জানান, ঔষধের মান যাচাইর দায়িত্বে থাকা ঔষধ তত্ত্ববধায়কের কোন অফিস ভোলায় নেই। বরিশাল থেকে একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে তিনি এখনো আসেননি। যে কারণে মানহীন ঔষধের এত ছড়াছড়ি। তার দাবি নিয়মিত মনিটরিং করা হোক।

 

ভোলার সিভির সার্জন ডাক্তার ফরিদ আহমেদ জানান, রেজিস্ট্রেশন বিহীন বিভিন্ন কোম্পানির ঔষধ বাজারে রয়েছে। ভোলার জন্য একজন ঔষধ তত্ত্ববধায়ক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি এলে তাকে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

ভোলা এর অন্যান্য খবরসমূহ