বিজয় উদযাপন করতে বঙ্গবন্ধুর নাতি নাতনিরা গেলেন লন্ডনে - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

বিজয় উদযাপন করতে বঙ্গবন্ধুর নাতি নাতনিরা গেলেন লন্ডনে



নিউজ ডেস্ক, (খবর তরঙ্গ ডটকম)
ব্রিটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে সদ্য এমপি হওয়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা কন্যা টিউলিপ সিদ্দিকের বিজয় উদযাপন করতে বঙ্গবন্ধুর নাতি নাতনিরা এখন লন্ডনে। জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর ২ কন্যার ঘরে মোট সন্তান রয়েছেন ৫জন।
এর মধ্যে জাতির জনকের বড় মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২ সন্তানের একজন তার তথ্য উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট তথ্য প্রযুক্তিবিদ সজীব ওয়াজেদ জয় অপরজন তার কন্য সায়েমা হোসেন পুতুল। আর শেখ রেহানার ৩ শন্তান হচ্ছেন- টিউলিপ সিদ্দিক, ছেলে রেজোয়ান সিদ্দিক ববি ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রুপন্তী। রেহানার পরিবারের সবাই লন্ডনে বসবাস করলেও জয় আমেরিকা ও পুতুল বসবাস করেন কানাডায়।
এ মুহূর্তে তারা সবাই লন্ডনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনের কয়েক দিন আগ থেকেই বোন টিউলিপের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে সস্ত্রীক লন্ডনে অবস্থান করছিলেন ববি। তার সঙ্গে পরবর্তীতে ক্যাম্পেইনে এসে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়েমা হোসেন পুতুল। সর্বশেষ বিজয় সেলিব্রেশনের লক্ষ্যে নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার ৪ ভাইবোনের সাথে বাংলাদেশ থেকে এসে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র জয়ও।
গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে জয়ের লন্ডন আসার খবর দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা জানান, আমার বাবা একটি জনগোষ্ঠীকে উপহার দিয়েছিলেন একখন্ড স্বাধীন আবাসভূমি, আর আমার সে পিচ্চি মেয়েটি আজ পৃথিবীর অন্যতম শক্তিধর দেশ ব্রিটেনের এমপি।
ইতিহাসে এমন নজির মনে হয় খুব কমই আছে। আজ আমাদের দুবোনের আনন্দের দিন। সে আনন্দ ভাগাভাগি করতেই আমাদের সব সন্তান আজ জড়ো হয়েছে লন্ডনে। তাদের এ মিলন আমাদের খুশির আমেজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি তাদের সন্তানদের জন্য সবার দোয়া কামনা করেন বাংলানিউজের মাধ্যমে। বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে বলেন, খুশির আমেজ আমাদের এখনও শেষ হচ্ছেনা। এ খুশি ভাগাভাগি করতে আমার ৫ সন্তানই জড়ো হয়েছে লন্ডনে। আড্ডা, খুনসুঁটি করে সময় কাটাচ্ছে বাসায়।
আমিই মনে হয় এ মুহূর্তে পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী মানুষ। তিনি বলেন, ৭৫’র ১৫ আগস্ট বাবা-মা, ভাই-ভাবীসহ সবাইকে হারিয়ে ভেবেছিলাম সুখের দেখা হয়তো আমাদের দুবোনের কপালে আর নেই। বাবার আদর পাওয়ার বয়স যখন, তখন মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অধিকাংশ সময় তিনি কাটিয়েছেন জেলে অথবা দেশের এপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে, সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে। শেখ রেহানা বলেন, বাঙালি জাতির জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম দেয়ার পর মনে করেছিলাম এবার হয়তো তার কিছু বিশ্রামের সময় হবে, কাছে পাবো তাকে।
কিন্তু সে ভাগ্যও আমাদের হয়নি। বাবা মাকে হারিয়ে সন্তানদের মুখ চেয়ে চেয়েই আমরা দুবোন পার করেছি বছরের পর বছর। সন্তানরা আজ বড় হয়েছে, সমাজে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। তারা যখন কোনো সময় একত্র হয় তখন আমাদের আর খুশির সীমা থাকেনা।

সাক্ষাৎকার এর অন্যান্য খবরসমূহ