চট্টগ্রাম কোচিং এসোসিয়েশন এর সংবাদ সম্মেলন - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

চট্টগ্রাম কোচিং এসোসিয়েশন এর সংবাদ সম্মেলন



প্রেস বিজ্ঞপ্তি, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

কোচিং সেন্টার বন্ধ করে দিয়ে নি¤œ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের শিক্ষাকে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে।
বর্তমান সরকার শিক্ষার প্রসারে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি প্রণয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার জাতীয়করণ, বিনামূল্যে বই বিতরণ, নারী শিক্ষার অগ্রগতি, উপবৃত্তি প্রদান, আইসিটি ভবন নির্মাণ, শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণ ও মানবসম্পদ উন্নয়নমূলক নানা ধরনের কল্যাণমুখী কাজ বাস্তবায়ন করে সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। সরকারের এ সকল কার্যক্রমের সাথে সমন্বয় রেখে মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্ব-উদ্যোগে গঠিত ও পরিচালিত কোচিং সেন্টারগুলো দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতিকল্পে অনস্বীকার্য অবদান রেখে যাচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয়।

 

৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১.৩০টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে চট্টগ্রাম কোচিং এসোসিয়েশন (সিসিএ) এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সিসিএ’র সভাপতি মো. আবু তাহের। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ মো. মোক্তার উদ্দিন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রব সোহেল।

 

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিসিএ’র সহ সভাপতি- মো. সাজ্জাদ উদ্দীন, সহঃ সাধারণ সম্পাদক-সোহরাব মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক-আজিজুল হক,সিনিয়র সদস্য- তানভীরুল হক, সদস্য আসাদুর রহমান প্রমুখ।

 

সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয়, বর্তমানে স্কুল কলেজসমূহে প্রায় ৭০-৮০ দিন নির্ধারিত বন্ধ এবং জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আরো ১০০-১২০ দিন শ্রেণিকার্যক্রম বন্ধ থাকে। স্কুল কলেজে শিক্ষক স্বল্পতা ও ৩০-৪৫ মিনিটের পাঠদানে নির্দিষ্ট সময়ে সিলেবাস শেষ করতে না পারা এবং দেশের শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ মানুষের আয় ১৫-২৫ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বিশেষত নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের শিক্ষাকার্যক্রম মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন। পক্ষান্তরে মাত্র ১০০০-১২০০ টাকায় বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ শিক্ষকের মাধ্যমে পরিপূর্ণভাবে সিলেবাসভিত্তিক পাঠ্যকার্যক্রম সম্পন্ন করার মানসে কোচিং সেন্টারে সম্পৃক্ত হয়। কোচিং সেন্টারের মালিক পক্ষ কিংবা শিক্ষকগণ সরকারি-বেসরকারি কোন স্কুল-কলেজের শিক্ষকতার সাথে জড়িত না থাকায় তাদের পক্ষে শিক্ষার্থী-অভিভাবককে পরীক্ষার খাতায় নাম্বার কম-বেশি দেওয়া, পরীক্ষার পূর্বে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কোনরূপ প্ররোচিত করার সুযোগ নেই বলেও দাবী করা হয়।

 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সংবাদ সম্মেলনে জানান, কোচিং সেন্টার শিক্ষা সহায়ক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে নিয়মিত ভ্যাট, গৃহকর, আয়কর প্রদান করে দেশের রাজস্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে জানান, কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ আনা হলেও তা প্রমাণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি দেশের কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকা সত্বেও কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস হল , কারা এর সাথে জড়িত তা খুঁজে বের করে তাদের বিচারের আওতায় আনারও দাবী জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে কোচিং সেন্টার সম্পর্কে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অযৌক্তিক ও হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ এবং কোচিং সেন্টার বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবী জানান। একই সাথে সুশিক্ষিত জাতি গঠনে শিক্ষা সহায়ক প্রতিষ্ঠান কোচিং সেন্টার পরিচালনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের জন্য শিক্ষা মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

চট্টগ্রাম এর অন্যান্য খবরসমূহ
শিক্ষাঙ্গণ এর অন্যান্য খবরসমূহ