উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় আবারো ভোট দিন: মনোহরগঞ্জে বিভিন্ন পথ সভায় তাজুল ইসলাম - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় আবারো ভোট দিন: মনোহরগঞ্জে বিভিন্ন পথ সভায় তাজুল ইসলাম



মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন পথ সভায় নৌকায় ভোট ছাইলেনে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম মনোহরগঞ্জ আসনের মহাজোটের প্রার্থী মোঃ তাজুল ইসলাম।

আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত মনোহরগঞ্জ উপজেলার নাথেরপেটুয়া ও বিপুলাসার ইউনিয়নের ১১টি ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী পথসভায় বিগত আমলে বিভিন্ন উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি নৌকায় ভোট চান এবং বলেন নৌকায় ভোট দিলে দেশের উন্নয়ন হয়। মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। আর বিএনপিকে ভোট দিলে দেশ পিছিয়ে যাবে এবং সন্ত্রাস ও দুর্নীতিতে ভরে যাবে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে রয়েছে। শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আরো এগিয়ে যাবে। সারা দেশের ন্যায় লাকসাম-মনোহরগঞ্জে যত উন্নয়ন হয়েছে তা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার থাকাকালীন আমার আমলে হয়েছে। দু’ইউনিয়নের ১১টি ভোটকেন্দ্রের পথসভা ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতে জনসভায় রুপান্তরিত হয়। বিভিন্ন পথ সভায় জমায়াত, বিএনপি থেকে প্রায় শতাধিক নেতা-কমী আওয়ামীলীগে যোগদান করেন।

নির্বাচনী পথসভায় মোঃ তাজুল ইসলাম আরো বলেন, গত ১০বছরে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছে। লাকসাম মনোহরগঞ্জ উপজেলায় শত ভাগ বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে। খিলা ও মুদাফরগঞ্জ ২টি বিদ্যুৎ সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে এবং লাকসাম একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। ইতি মধ্যে জমি অধিগ্রহন কাজ শুরু হয়েছে। এটা মাথায় রেখে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে এত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিল্পকারখানা গড়ে উঠলে অত্র অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়নের পাশা-পাশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের মাধ্যমে এই গ্রাম অঞ্চল আগামী কয়েক বছরের মধ্যে শহর এলাকায় রুপান্তরিত হবে। তিনি আরো বলেন, ৯৬ সালের পূর্বে বিএনপি থেকে আলমগীর ও ২০০১ সালে কর্ণেল (অবঃ) এম আনোয়ারুল আজিম আপনাদের এলাকায় সংসদ সদস্য ছিলেন। ওই সময় তারা কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেনি। বরং উন্নয়ন হয়েছে তাদের নীজেদের। আমি ৯৬ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। শত শত রাস্তাঘাট, কালবার্ট, মসজিদ, মন্দির সহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের নতুন ভবন নির্মান ও পুরাতন ভবন সংস্কার করা হয়েছে। লাকসাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মনোহরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ, নীলকান্ত ডিগ্রি কলেজকে সরকারী করন করা হয়েছে। মনোহরগঞ্জ উপজেলাকে একসময় জলাঅঞ্চল বলা হত। বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া চলাচল করতে পারতো না। গ্রীষ্মকালে পায়ে হাটা ছাড়া কোন বিকল্প ছিলনা। কিন্তু বর্তমানে মনোহরগঞ্জ উপজেলায় প্রতিটি গ্রামে মানুষ গাড়ী নিয়ে চলা চল করতে পারে। এগুলো এক মাত্র উন্নয়ন হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের কারনে। সব উন্নয়ন আমি করেছি। তাই আপনাদের কাছে ভোট চাওয়ার অধিকার একমাত্র আমারই আছে।

ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন, জাতীয় পাটির লাকসাম উপজেলা সভাপতি গোলাম মোস্তফা, জেলা পরিষদেও সদস্য ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী এডভোকেট তানজিনা আক্তার, মনোহরগঞ্জ উপজেলা ্আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল কাউয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জাকির হোসেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা আলম কুসুম সহ দু’উপজেলার আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।



এ সম্পর্কিত আরো খবর

কুমিল্লা এর অন্যান্য খবরসমূহ
ভোটের হাওয়া এর অন্যান্য খবরসমূহ
মনোহরগঞ্জ এর অন্যান্য খবরসমূহ
রাজনীতি এর অন্যান্য খবরসমূহ
লাকসাম এর অন্যান্য খবরসমূহ