শিক্ষকের অশালীন আচরণ টাকার বিনিময়ে ম্যানেজিং কমিটি - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :
বাকেরগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে

শিক্ষকের অশালীন আচরণ টাকার বিনিময়ে ম্যানেজিং কমিটি



নাসির উদ্দিন সৈকত, ঝালকাঠি, বরিশাল, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

বাকেরগঞ্জের কলসকাঠীতে তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে সহকারী শিক্ষকের অশালীন আচরণ করা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। টাকার বিনিময়ে উক্ত ঘটনা চাপা দেয়ার নামে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি দফারফা করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের দণি সাদিশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত বুধবার ২৭ আগষ্ট প্রতিদিনের ন্যায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী সুখি মনি কাস করতে যায়।

ওইদিন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক সৈয়দ মুছা তৃতীয় শ্রেণীর কাসে গিয়ে এক পর্যায়ে সুখি মনির গালে চুম দেয় ও তার সাথে অশালীন আচরণ করে। এতে কাসের অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরা আতংকিত হয়ে পরে।

কাস শেষে ওই ছাত্রী বাড়ীতে গিয়ে এ ঘটনা তার পিতা-মাতাকে জানায়। পরে তার অভিভাবকরা ঘটনাটি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিকে জানালে পরের দিন বৃহস্পতিবার রাতে সালিশ-বৈঠকের নামে প্রহসনের বিচার করেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি একুব আলী জোমাদ্দার, সহ-সভাপতি জাফর আলীসহ অন্যান্যরা। বৈঠকে অভিযুক্ত শিক সৈয়দ মুছা ছাত্রীর মা শাহানারা বেগমের নিকট মা চান।

 

অভিযোগ রয়েছে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা উপজেলা শিা কর্মকর্তাকে ঘটনা না জানিয়েই প্রহনের নামে এ বিচার করেন। ছাত্রীর মা শাহানারা বেগম এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, একুব মেম্বার বিচার করেছে। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি একুব আলী ছাত্রীর গালে চুমু দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, মুছা মাস্টার ওই ছাত্রীর গালে একটা চড়-থাপ্পর দেয়। আমরা সালিশ করে দিয়েছি।

 

অভিযুক্ত শিক সৈয়দ মুছার সাথে তার ব্যবহৃত ০১৭১৬-৬৮৯৮৮১ নম্বর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও বন্ধ পাওয়া গেছে। উপজেলা শিা কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবেন।


উপজেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
জেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
বরিশাল এর অন্যান্য খবরসমূহ