পাল্টে গেছে পাসপোর্ট অফিসের চিত্র - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

পাল্টে গেছে পাসপোর্ট অফিসের চিত্র



অনলাইন ডেস্ক, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের পাল্টে গেছে চিত্র এবং  ফিরেছে পাসপোর্ট অফিসের শৃঙ্খলা। পূর্বের অফিস কার্যক্রম এর মত রাতের আধারে শরীয়তপুর  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ভিতরে পাসপোর্ট দালালরা এখন আর  ফাইল ঢোকাতে পারেন না। 

শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসেরসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের যোগদানের পর থেকেই পাল্টে গেছে   পাসপোর্ট অফিসে চিত্র এবং ফিরেছে সচ্ছতা। এক সময় শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ছিল দুর্নিতির আকড়া। 

ঘুষ ছাড়া এই পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করা ছিল একেবারেই কল্পনার অতীত। ইতোপূর্বে পাসপোর্ট অফিসের ঘুষ বানিজ্য ও দূর্নিতি নিয়ে জে টিভি এবং যমুনা টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার করেছে। 

পাসপোর্ট অফিসকে দালাল মুক্ত রাখার জন্য পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মাঝে মধ্যে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান দিয়ে দালালদের জেল জরিমানা করা হয়। সহকারী পরিচালক মোঃ আনিসুর রহমান এর তৎপরতার কারনে পূর্বের তুলনায় শরীয়তপুর জেলা পাসপোর্ট অফিস অনেকটাই দালালমূক্ত হয়েছে। 

গত ১৪ জুলাই রবিবার সকাল দশটার দিকে সরোজমিন ঘুরে পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ গ্রাহকরা সাক্ষাৎকারে বলেন আমরা শুনেছি এ অফিসে পাসপোর্ট করতে  এসে পাসপোর্ট গ্রাহকরা দালালদের দারা হয়রানির স্বীকার হত এছাড়াও টাকা বিহীন ফিংগার করা ছিল একেবার অসম্বব। 

বর্তমানে পাসপোর্ট অফিসের সেই চিত্র পাল্টে গেছে।পাসপোর্ট করতে আাসা এক গ্রাহক সাক্ষাৎকারে বলে আমার নিজের ফিংগার দিতে কোন টাকা লাগেনি শুধু ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছি এবং এই অফিসের স্টাফরা আমাকে সাহায্য করেছে।

শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন যে কোন মানুষ পাসপোর্ট করতে এসে যাতে হয়রানির স্বীকার না হয়  সে জন্য আমার অফিস কক্ষ সবার জন্য উন্মুক্ত আছে।

যে কেউ সরাসরি আমার সাথে বা ফোনে যাতে যোগাযোগ করতে পারে তার সকল নির্দেশনা অফিসের সামনে টানানো আছে। তিনি আরো বলেন জনগনের সচেতনতার কারনে এই পাসপোর্ট অফিস অনেকটাই দালাল মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি এবং ইতোমধ্যে শরীয়তপুর আঞ্চলিকতা পাসপোর্ট অফিসসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠন হিসাবে সুনাম অর্জন করেছে। 

আমি নিচ্চিত করে বলতে পারি আমার অফিস চত্বরে দালালদের  কোন আনাগোনা নেই। দালালদের পদচারনা কমে যাওয়ার কারন অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায় বর্তমানে পাসপোর্ট অফিস এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়টি সি সি ক্যমেরার আওতায় আনা হয়েছে। এই সি সি ক্যমেরার মাধ্যমে দালালদের গতিবিধি লক্ষ করা সম্ভব হয়েছে। 

এ ছাড়াও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী  মাঝে মধ্যে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা করছে।

যার কারনে পাসপোর্ট দালালরা পাসপোর্ট অফিসে সহসা প্রবেশ করতে পারছেনা অথচ কিছুদিন আগে ও পাসপোর্ট অফিসের অভ্যান্তরে এবং গেটের সামনে দালালদের পদচারনা ছিল সিমাহীন।