পাঁচবিবি আই ডি এ ট্রেনিং সেন্টারের অভাবনীয় সাফল্য যব মার্কেটে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি আই ডি এ ট্রেনিং সেন্টারের ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীই টেনিং শেষে প্রবেশ করেছে কর্মজীবনে। দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারি এই কারিগরি টেনিং সেন্টারটি প্রশিক্ষণ শেষে নিজেরাই শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন। স্কুলের ঝরে পড়া,স্বামী পরিত্যক্তা/ বিধবা,জীবন সর্ম্পকে হতাশ ও সামাজিক ভাবে পিছিয়ে পড়া, ২২০ জন বিভিন্ন ট্রেডে র্কোস সম্পন্নকারি শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও উপবৃত্তি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অধ্যক্ষ মীর জাহিরুল ইসলাম এ সফলতার দাবী করেন।

 

অধ্যক্ষ মহোদয়ের সভাপতিত্বে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন জনাব মোস্তাফিজুর রহমান উপজেলা চেয়ারম্যান পাঁচবিবি, মোঃ রাজিবুল আলম উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাঁচবিবি, হাবিবুর রহমান হাবিব মেয়র পৌরসভা পাঁচবিবি, মোঃ ফরিদ হোসেন অফিসার ইনচার্জ পাঁচবিবি থানা।

 

অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আনিছুর রহমান বাচু কাউন্সিলর পাঁচবিবি পৌরসভা, উপাধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান, সম্পাদক পৌর আওয়ামীলীগ ও আব্দুল হাই সাংবাদিক ও সভাপতি উপজেলা দুপ্রক। অধ্যক্ষ মহোদয় জনান,বাংলাদেশ সরকার,বিশ্ব ব্যাংক, কানাডা, সুইজারল্যান্ড,ও ইউরোপিয়ও ইউনিয়নের যৌথ সহযোগিতায় পরিচালিত এই টেনিং সেন্টারে টেইলারিং, ইলেকট্রিক হাউজ ওয়েরিং, ব্লক বার্টিক, সার্ভেয়ার, বিউটিফিকেশন, লেদ ও ওয়েল্ডিং এ, ৩ ও ৬ মাসের র্কোসে দুঃস্থ ও ঝড়েপড়া শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিনা খরচে ভর্তি করা হয়। ১৪ জন দক্ষ প্রশিক্ষকের সুনিপুন প্রশিক্ষণ শেষে জনপ্রতি ৪ হাজার দুই শত টাকা হারে উপবৃত্তি, সনদ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

সরাসরি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এক সঙ্গে ২২০ জন (সব র্কোসে) বছরে ৬ মাস মেয়াদি র্কোসে ২ বার ও ৩ মাস মেয়াদি র্কোসে ৪ বার প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি করা হয়। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই টেনিং সেন্টারে কোনো সিট ফাঁকা থাকার রের্কড নেই বলে অধ্যক্ষ মহোদয় জনান। র্কোস সম্পন্ন কারী ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে বলেও তিনি জানান।