মহেশখালীতে লাইসেন্স বিহীন দোকানে সার বিক্রির অভিযোগ

মহেশখালী শাপলাপুর ইউনিয়নে লাইসেন্স বিহীন মুদির দোকানে সার বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ শাপলাপুর ইউনিয়নে ৯ জন খুচরা সারের ডিলার রয়েছে, ও ২ জন বি আর ডি.সি সারের ডিলার। কিন্তু ১ নম্বর ওয়ার্ডের ষাইটমারা দাখিল মাদ্রাসা সংল্গন ২ টি মুদির দোকানে প্রকাশ্যে বিক্রির করছে সাদাও কালো সারসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মরণনেশা বিষ। অন্যদিকে শাপলাপুর বাজারে পশ্চিম পাশে হারুন নামে এক ব্যক্তি দোকান খুলে সার ও বিষ বিত্রুি করছে। এসব সার ও বিষ। একই কায়দায় জেমঘাট বাজারে ২ টি দোকানেও সার ও বিষ বিক্রির করে যাচ্ছে।
স্থানীয় খুচরা ডিলার হুমায়ুন বলেন, পাশ্ববর্তী বদরখালী ইউনিয়নের সার ডিলারদের কাছ থেকে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সার ও বিষ এনে বিক্রির করছে। এতে সরকারীভাবে কোন নজরদারী না থাকায় শাপলাপুর ইউনিয়নে যত্রতত্রভাবে সার বিক্রি করে যাচ্ছে। এদিকে শাপলাপুর ইউনিয়নের সার ডিলার মৌলভী ওসমান বলেন, হারুনের সার ও বিষের কোন সরকারী অনুমোদিত লাইন্সে না থাকার সত্বেও কিভাবে দোকান খুলে প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে সার বিক্রি করছে।
এদিকে কৃষকরা জানান, শাপলাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মাষ্টার ইদ্রিস মিঠাকাটা বাজার ভিত্তিক খুচরা ডিলার হলেও তার রয়েছে ২টি দোকান। একটি পরিচালনা করেন তিনি নিজেই, অপরটি পরিচালনা করেন তার ছেলে। মহেশখালী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শামসুল আলম থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউরিয়া সারের খুচরা ডিলার ৯জন ও ২জন বিআরডিসি ডিলার রয়েছে। ইদ্রিস মাষ্টারের ২টি দোকান করার বৈধতা আছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি জানান, ২টি থাকলে একটি অবৈধ।শীঘ্রই শাপলাপুরসহ মহেশখালী উপজেলার সর্বত্রই অভিযান পরিচালনা করব।