মহেশখালীতে প্রধান সড়কের ব্রীজ সংস্কারের নামে হয়রাণী জনগনের দুর্ভোগ

মহেশখালীতে প্রধান সড়কের ব্রীজ সংস্কারের নামে হয়রাণী জনগনের দুর্ভোগ। মহেশখালীতে প্রধান সড়কস্থ ব্রীজগুলি মরনফাদেঁ পরিনত হয়েছে যারদরুন যান চলাচল ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে ৩১ জুলাই দুপুর ২টায় পরিবহন মালিক সমিতি স্বাক্ষকলিপি প্রদান করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহেশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভুমি) হাসান মারুফ, পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আতা উল্লাহ বোখারী, সাধারণ সম্পাদক একেরামুল হক, নাছির উদ্দিন, শ্রমিক সমিতির নেচার, হেলাল, গিয়াস উদ্দিন, রফিক আলম, আনছার, আনোয়ার, শাকিল সহ শতাধিক নেতাকর্মী।

 

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত মহেশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী জানান, মহেশখালীর প্রধান সড়কের ব্রীজ ঝুকিঁপূন হওয়াতে সরকার নতুন করে টেন্ডার দিয়েছে কিন্তু ঠিকাদারেরা ব্রীজ তৈরীর জন্য কোন ডাইভেশন ছাড়া পুরানত ব্রীজ গুলি ভেঙ্গে দিয়ে মাসের পর মাস রেখে দিয়েছে যার দরুন পথচারীদের যাতায়তে চরম কষ্ট হচ্ছে এ বিষয়ে কক্সবাজার ও মহেশখালী উপজেলা আইনশৃংঙ্খলা মিটিংয়ে কথাগুলি উত্তাপন করেছি এবং এমপি সাহেবকে ও বলেছি। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও দায়িত্বরত ঠিকাদারদেরকে যথাসময়ের তৈরী করার তাগিদ এবং ডাইবেশন তৈরীর কথা বলে দেব।

 

স্মারকলিপি প্রদানকালে পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আতা উল্লাহ বোখারী বলেন, মহেশখালীর প্রধান সড়ক সংযুক্ত ব্রীজগুলি মরনফাদেঁ পরিনত হয়েছে, ছোট মহেশখালীস্থ ঠাকুরতলা ব্রীজ, সিপাহীর পাড়ার ব্রীজ, শাপলাপুরস্থ জামিরছড়ির ব্রীজ, চালিয়াতলীর ব্রীজ, হোয়ানকস্থ ছনখোলা পাড়া সহ অসংখ্য  ব্রীজ সংস্কার পূর্বক নতুন করে তৈরীর জন্য ১ বছর পূর্ব থেকে ঠিকাদারেরা ভেঙ্গে দিলে ও এখনো পযর্ন্ত কোন ধরনের ব্রীজ তৈরী করেনি এবং পার্শ্বস্থ কোন ধরনের ডাইভেশন ও দেয়নি যার দরুন মহেশখালীর লক্ষ লক্ষ পথচারী, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ঠগন ও যান চলাচল হচ্ছে না। এমতাবস্থায় প্রশাসন, এলজিডি অফিস ও সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষের প্রতি দৃষ্ঠি আকর্ষন করছি যেন শিঘ্রিই ব্রীজগুলি তৈরী অন্যথায় মজবুদ ও টেকসই ডাইবেশন তৈরী করে দেন।