যশোরে রিয়াদ হত্যায় ছাত্রলীগের ১১ জন অভিযুক্ত - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

যশোরে রিয়াদ হত্যায় ছাত্রলীগের ১১ জন অভিযুক্ত



নিউজ ডেস্ক, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাইমুল ইসলাম রিয়াদ হত্যা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। অভিযোগ না পাওয়ায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুলসহ তিনজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মোমতাজুল হক জানান, সোমবার দুপুরে তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, নাইমুল ইসলাম রিয়াদ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মশিয়ুর রহমান হলের ৪১৭ কক্ষের আবাসিক ছাত্র ছিলেন তিনি। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায়। ওই ঘটনার জেরে ২০১৪ সালের ১৪ জুলাই দুপুর দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে রিয়াদসহ কয়েকজন বন্ধু দাঁড়িয়েছিলেন।

 

ওই সময় শহরের দিক থেকে আসা ৪/৫টি মোটরসাইকেল তাদের ঘিরে ফেলে প্রথমে ফাঁকা গুলি এবং পরে রিয়াদকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

 

পরিদর্শক মোমতাজুল হক বলেন, এ ঘটনায় ১৫ জুলাই রিয়াদের মামা রফিকুল ইসলাম রাজু বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় ২/৩ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ এবং পরে সিআইডি পুলিশ তদন্ত করে বলে তিনি জানান। অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসান, সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস, ছাত্র ফয়সাল তানভীর ও আজিজুল ইসলাম।

 

এছাড়া রয়েছেন- যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার আজিজুল হক খোকনের ছেলে সজিবুর রহমান, কাজীপাড়া তেতুলতলার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রওশন ইকবাল শাহী, শহরের মিশনপাড়ার হাফিজ আহমেদের ছেলে সালসাবিল আহমেদ জিসান, পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার মৃত আবদুল খালেকের ছেলে ইয়াসিন মোহাম্মদ কাজল, ঝুমঝুমপুর চান্দের মোড়ের এসএম নাসির উদ্দিন ওরফে চান কসাইয়ের ছেলে এসএম জাবেদ উদ্দিন, শহরের খড়কি কামার দিঘিরপাড় এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে কামরুজ্জামান ওরফে ডিকু ও কারবালা এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে ভুট্ট।

 

এদের মধ্যে আজিজুল ইসলাম, সজীবুর রহমান, রওশন ইকবাল শাহী, সালসাবিল আহমেদ জিসান, ইয়াসিন মোহাম্মদ কাজল, এসএম জাবেদ উদ্দিনকে পলাতক দেখানো হয়েছে বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর