মানব কল্যাণে উজ্জল নক্ষত্র বিএনপি নেতা মিলন - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

মানব কল্যাণে উজ্জল নক্ষত্র বিএনপি নেতা মিলন



প্রেস বিজ্ঞপ্তি, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মেহানপুর থেকে গত সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন মানব সেবায় উজ্জল নক্ষত্রের ন্যায় কাজ করে যাচ্ছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশক্রমে নির্বাচনী রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসন এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ডে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং ব্যক্তিগত অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন।


তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপি করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশেও সংক্রমণের হার প্রতিদিন বেড়েই চলছে। পরীক্ষা যত বাড়ছে সংক্রমনের হার তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৃত্যুও ঘটছে প্রতিদিন।
আজ মঙ্গলবার সব থেকে বেশী করোনায় আক্রান্ত রোগি সনাক্ত হয়েছে। আজকে মোট সংক্রমিত হয়েছে ৭৮৬ জন । এনিয়ে দেশে আজ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ১০,৯২৯জন। প্রতিদিন বেড়েই চলছে। এরমধ্যে সরকার লকডাউন অনেকটাই ঢিলেঢালা করে ফেলেছে। সেইসাথে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে কিছু শর্ত সাপেক্ষে চলতি মাসের ১০ তারিখ থেকে দোকনপাট খোলা হবে বলে সরকার থেকে ঘোষনা দেয়া হয়েছে। এটা হচ্ছে মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ।


তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন ঘোষনাই প্রমান করে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণকে কতটা ভালোবাসে। যখন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কম ছিলো তখন সরকার কঠোরভাবে লকডাইন ও সকল প্রকার চলাচলে কড়াকড়ি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাদে অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিলেন। আর এখন প্রতিদিন যখন সংক্রমনের হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তখন সরকার এই ধরনের সিদ্ধান্ত কতটুকু যৌক্তিক জনগণ তা বুঝে গেছে। দেশের মানুষ এই সরকারকে আর বিশ্বাস করেনা। কারন জনগণ বুঝে গেছে সরকার ও আওয়ামী লীগ প্রধান শুধু মুখেই বলেন, এটা হবে এটা করব। আসলে তিনি দেশকে তলাবিহিন ঝুড়িতে পরিণত করেছেন। এখন আর জনগণকে ত্রাণ দেয়ার মত সামর্থ নাই সরকারের। সেজন্যই এমন মরণঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সরকার।


মিলন বলেন, শর্তসাপেক্ষে সরকার গার্মেন্টস কারখানা খুলে দিয়েছেন। কিন্তু গার্মেন্টস মালিক ও শ্রমিকরা সে শর্ত কি মানছেন? এই অবস্থায় ঈদের আগে দোকনপাট খুললে দেশে করোনাভাইরাস আরো মহামারী আকার ধারন করবে বলে জানান তিনি। বর্তমান সরকারও চায় বাংলাদেশও আমেরিকার মত হোক।
সারা দেশের ন্যায় বেশ কিছুদিন হতে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কর্তৃক ঘোষিত রাজশাহীতে চলছে লকডাউন। ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও যানবাহন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়নমূলক কাজ বন্ধ থাকায় কর্মহীন পড়েছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। দীর্ঘ সময় লকডাউন থাকায় এবং কর্ম করতে না পাড়ায় তাদের ঘরে দেখা দিয়েছে খাবার অর্থের সংকট। শুধু তারাই নয় মধ্যবিত্তরা পড়েছেন বেশী বিপাকে।


এই সকল মানুষের মুখে সামান্য দূমুঠো খাবার তুলে দিতে কাজ করছেন এই বিএনপি নেতা। মিলন বলেন, সরকার দলীয় নির্বাচিত প্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ এবং সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা যখন ত্রাণের চাল ও নগদ অর্থ চুরি করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে, তখন বিএনপি নেতৃবৃন্দ নিজ উদ্যোগে নিজ অর্থ ব্যয় করে ক্ষুধার্থ মানুষের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন। পুরো রোজার মাস এই ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবেন বলে জানান তিনি। সেইসাথে হ্যান্ডস্যানিটাইজার, সাবান ও মাস্ক বিতরণও চলমান থাকবে।


আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর সপুরাস্থ নিজ কার্যালয় থেকে পবার দর্শনপাড়া ইউনিয়ন, পারিলা ইউনিয়ন ও হড়গ্রাম ইউনিয়নের ৪ ও ৫নং ওয়ার্ডে তিনি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। তিনি প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নেতাদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। সেইসাথে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার জন্য নেতাদের অনুরোধ করেন তিনি। এছাড়াও করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে সকলকে ঘরে থাকার পরামর্শসহ বার বার সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার আহবান জানান তিনি। এছাড়াও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলার জন্য এলাকাবাসীসহ দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান মিলন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

রাজনীতি এর অন্যান্য খবরসমূহ
রাজশাহী এর অন্যান্য খবরসমূহ