লক্ষ্মীপুওে গাছ-পালা উপড়ে ছাউনি উড়ে শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি বাড়িঘর লন্ডভন্ড-আহত ৫

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পিয়ারাপুর,আবিরনগর ও কুমিদপুর এলাকায় শুক্রবার বিকালের হঠাৎ বৃষ্টি ও বাতাসে ৪ শতাধিক গাছপালা ও অর্ধশত বাড়ির ছাউনি উড়ে গিয়ে লন্ডভন্ড রয়েছে ঘরবাড়ি। এসময় ঝড়ে আহত হয়েছেন ৫জন। আহতদেরকে বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি ও বাতাসে ঘূর্ণিঝড়ের তান্ড ঘটে। ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে দেড় শতাধিক কাচাঘরবাড়ি ও পড়ে গেছে। গাছ-পালায় টিনের ঘর ফুটোসহ পল্লী বিদ্যুতের লাইন ছিড়ে বিদ্যৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
অর্থিক সংঙ্কটে ঘর বাড়ি মেরামত করতে না পেরে অনেকেই রয়েছে খোলা আকাশের নিছে।



পিয়ারাপুর এলাকার মৃত মনতাজ ভুঁইয়ার পুত্র মো ওছমান জানান,হত্যাৎ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে একটি ঝড় আসে। ঝড়ে তাদের থাকার ঘরটি ধুমড়ে মুছড়ে যায়। ঘরের টিনের চালা উড়ে গিয়ে পাশ্ববর্তী পুকুরে ও গাছের মাথায় আটকে থাকে। করোনা ভাইরাসের কারনে দু মাস ধরে দোকানপাট বন্ধ রাখায় নগদ টাকা ভেঙ্গে খাওয়াসহ এখন ঝড় এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। ভেঙ্গে ঘরটি মেরামত ও নতুন করে তৈরির টাকা সংগ্রহহে সরকারি সাহায্যের কামনা করেছেন তিনি।



স্থানীয়রা জানান,সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সদর উপজেলার সদর উপজেলার পিয়ারাপুর,আবিরনগর ও কুমিদপুর এলাকায় বৃষ্টি ও বাতাসে ৪ শতাধিক গাছপালা ও অর্ধশত বাড়ির ছাউনি উড়ে গিয়ে লন্ডভন্ড রয়েছে ঘরবাড়ি। ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে দেড় শতাধিক কাচাঘরবাড়ি ও পড়ে গেছে। গাছ-পালায় টিনের ঘর ফুটোসহ পল্লী বিদ্যুতের লাইন ছিড়ে বিদ্যৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। দ্রূত ওসব এলাকায় সরকারি ভাবে আর্থিক সহায়তাসহ জরুরি বিত্তিতে বিদুৎতের খুঁটি স্থাপনসহ ভেঙ্গে যাওয়া বিচিছন্ন সংযোগের খুটি মেরামত করে দ্রূত বিদুৎত সংযোগ স্থাপনের দাবী তাদের।



সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল জানান, ঝড়ে সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ সময় গাছপালাসহ শতাধিক কাচাঘর বাড়ি পড়ে যায়। তবে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনে চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরুপন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।