লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের বেহাল দশা ৫ শতের বেশি খানাখন্দ। বড় বড় গর্তে‘গাড়ী আটকে লেগে থাকছে যানজট ’’ - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের বেহাল দশা ৫ শতের বেশি খানাখন্দ। বড় বড় গর্তে‘গাড়ী আটকে লেগে থাকছে যানজট ’’



মো,আতোয়ার রহমান মনির,স্টাফ রিপোর্টার, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়ক। সড়কে বৃষ্টির মধ্যে বালুবাহী (১০ চাকার ভারী) যানবাহন চলাচলে সড়ক গেছে ডেবে ও নিন্মমানের কাজের কারণে প্রতিদিনই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। একটু বৃষ্টি হলেই ব্যস্ততম লক্ষ্মীপুর থেকে মজুচৌধুরীহাট পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকায় সড়কে যানবাহন আটকে বাড়ছে দুর্ভোগ।


এলাকাবাসী বলছেন,ব্যস্ততম লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের লক্ষ্মীপুর থেকে মজুচৌধুরী হাট পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বালুবাহী (১০ চাকার ভারী) যানবাহন চলাচলে সড়ক ডেবে সৃষ্টি হয়েছে ৫ শতের বেশি খানাখন্দ। শীঘ্রই মেরামতের প্রয়োজন। আর তা না হলে ২১ জেলার ঈদ ঘরমুখো হাজার হাজার যাত্রীদের দুর্ভোগসহ নতুন করে নানা সংকটের সৃষ্টি হবে।


এতো সমস্যায় সড়কটি দ্রুত মেরামতের ও ১০ চাকার বালুভর্তি গাড়ী বন্ধ রাখার জন্য চালক যাত্রীসহ স্থানীয়দের দাবী থাকলেও তা না করে লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে ঈদকে সামনে রেখে সড়কটির বড় বড় গর্তে দেওয়া হচ্ছে মাটি। বিছানো হচ্ছে ইট।


আর চালকরা বলছেন, বালু ও মাটি দিয়ে সড়কটি মেরামত করায় পর কিছুদিন বৃষ্টিতে তা সরে আগের মতো হয়ে যায়। বালু পরিবহনের কারণে সড়কটি ভেঙ্গে যায়। সৃষ্টি হয় সড়কে বড় বড় গর্ত । এতে করে যাতায়াতে লাগছে বেশি সময়। আর গতের্ বৃষ্টির জমাপানির উপর দিয়ে ১০ চাকার বালু ভর্তি গাড়ী যেতেই সড়কের কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দসহ বড় বড় গর্তের।


এদিকে স্থানীয় চেয়ারম্যান মো: ইউছুফ ছৈয়াল জানান,অবৈধ বালু পারিবহনে ভারী যানবাহন চলাচলে ডেবে গিয়েছে সড়ক। বালুভর্তি গাড়ী আটকে প্রায় লেগে থাকে যানজট। আর সড়কের পার্শ্বে বালু ফেলে রাখায় সড়কগুলো চলাচলে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। ধুলাবালুতে মানুষের চলাচলে অনুপযোগী হয়ে উঠাসহ দুর্ভোগ পৌঁছেছে চরমে। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে তা আমলে নিচ্ছেনা প্রশাসন।


এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দত্ত জানান, লক্ষ্মীপুর থেকে মজুচৌধুরীর হাট ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত কয়েকবার মেরামত করা হয়েছে। এখন আবার ঈদে গাড়ী চলাচলে আবার মেরামত করা হয়েছে। বালুভর্তি ১০ চাকার ভারী যানবাহন বন্ধ না থাকায় আবার গেছে ভেঙ্গে। বিষয়টি তিনি কয়েকবার মির্টিং এ তুলেছেন। তবে কাজ হয়নি। তবে চিন্তার কারণ নেই উল্লেখ করে তিনি আরো জানান,লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কটি তিনটি প্যাকেজে বরিশাল থেকে একশত কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছে। কাজটি মন্ত্রনালয়ে আছে। ঠিকাদার নিয়োগ হলে কাজ শুরু হবে।


লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল জানান,মজুচৌধুরীর হাট এলাকায় কয়েকটি বালূুর স্তুপ করে কয়েকজন প্রভাবশালী বালু ব্যবসা করছেন।এতে স্থানীয় কয়েকজনের সমস্যার অভিযোগ পেয়েছেন। তবে এখন বালু গাড়ী যাতায়েতে সড়ক ডেবে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে সে ধরনের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


উপজেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
জেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
লক্ষীপুর এর অন্যান্য খবরসমূহ
লক্ষ্মীপুর এর অন্যান্য খবরসমূহ