রায়পুরে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

কুপিয়ে আহত ও মালামাল লুটপাট করার মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে আসামীদের বিরুদ্ধে। বাড়ীতে একা বসবাস করায় নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে আহত বাদী। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিন চর আবাবিল ইউপির পুর্ব গাইয়ারচর গ্রামে। ঘটনাটি ২৮ আগষ্ট ও ৮ সেপ্টেম্বর ঘটলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ১৫ সেপ্টেম্বর থানায় মামলা করতে দেরি হয়েছে আহত নারীর। 


ক্ষতিগ্রস্থ আহত পান্না বেগম (৪২) একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী। মামলার আসামীরা হলেন, একই গ্রামের মোঃ শাহআলম, মোঃ পারভেজ, কাজিরচর গ্রামের মোঃ তছলিম, মোঃ জাহাঙ্গির, মিজান হোসেন, মোঃ মামুন ও ফারুল।


বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পান্না বেগম সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে আসামিদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিলো। ঘটনারদিন বিরোধকৃত জমি জখলে নিতে গেলে বাধা দেন পান্না বেগম। এতে আসামীরা পান্নাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে বসতঘর ভাংচুর করে আলমারিতে থাকা স্বর্ণালংকারসহ দুই লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়। এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি ও ফাঁড়ী থানায় এ ঘটনার  বিচার চাইলে দ্বিতীয়বার হামলা চালিয়ে পিটিয়ে আহত করে আসামীরা। অবশেষে পান্না বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার নারীসহ ৭ আসামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা তুলে নিতে প্রতিনিয়র আসামীরা ও তাদের লোকজন হুমকি দিয়ে আসছে। তিনি বাড়ীতে একা বসবাস করায় আবার হামলার আশংকা ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলেও পুলিশকে জানানো হয়েছে।


মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে তাদের স্বজনরা জানান, পান্না বেগম মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করছেন। মুলত পান্না বেগম তার দ্বিতীয় প্রবাসী স্বামী আনোয়ায় হোসেনের প্রথম সংসার ভাঙ্গার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন।


রায়পুর থানার ওসি আবদুল জলিল বলেন, পান্না বেগম নামে (৪২) এক নারী তারই এলাকার এক নারীসহ সাতজনকে আসামী করে মারামারির মামলা করেছেন। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। হুমকির বিষয়টিও তদন্ত করা হচ্ছে।
তাবারক হোসেন আজাদ