লক্ষ্মীপুরে সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিক পলাশের মৃত্যু বিচারের দাবীতে স্থানীয় গ্রামবাসীসহ সহকর্মীদের বিক্ষোভ

লক্ষ্মীপুরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিক শাহ মনির পলাশ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাগেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যায় পলাশ। এর আগে বুধবার সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নে মাছিমনগর এলাকায় জমি সংক্রান্ত সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন পলাশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিক পলাশের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন ভূঁইয়া।নিহত পলাশ সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নে মাছিমনগর এলাকায় আব্দুল মন্নানের ছেলে ও দৈনিক রুপবানী পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের মরাত্মক (বিএ) ফলপ্রার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী খুনিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। অপরদিকে স্থানীয় সাংবাদিকরা নিহত সাংবাদিক পলাশ হত্যাকান্ডের বিচার ও হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন।

 

নিহতের পলাশের বাবা আব্দুল মন্নান ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,বুধবার সকালে মাছিমনগর এলাকায় পারিবারিক সীমানা বিরোধের জের ধরে আতারুজ্জামানের দুই ছেলে ইউছুপ ও আবু ছাইদ সাংবাদিক পলাশের বাবা আব্দুল মন্নানকে মারধর করে। এসময় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তাদের হামলার শিকার হন পলাশ। এসময় সন্ত্র্রাসীরা পলাশকে কাঠের টুকরো দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে থেতলে দেয় তার মাথা ও বুক। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তির পর অবস্থার অবনতিতে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। হামলার ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে মারা যায় পলাশ। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন এলাকাবাসী। খুনিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবী নিয়ে দলমত নির্বিশেষে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন।

 

পুলিশ জানান, নিহতের থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে হত্যার ঘটানায় অভিযুক্তরা ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান,পারিবারিক সীমানা জটিলতা নিয়ে চাচাতো ভাইদের হামলায় ঘটনায় আহত সাংবাদিক মারা গেছে।এঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে, জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।