লালমাই উপজেলায় আদালতের নির্দেশে রাস্তা নির্মান ॥ প্রতি পক্ষের হামলায় আহত ৪

কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার ৬ নং পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের পেরুল গ্রামে আদালতের নির্দেশে রাস্তা নির্মাণ পরে বিবাদী পক্ষের উক্ত রাস্তা কর্তন করা নিয়ে বাদীপক্ষের লোকজনকে আক্রামন করায় ৪ জন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় পেরুল গ্রামের মৃত হাজী মনির উদ্দিনের ছেলে রবিউল আলম গত ২০১৩ সালে স্থানীয় জনগনের চলাচলের রাস্তায় বাধা অপসারনের জন্য কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতে একই গ্রামের মৃত- আনসার আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম ও আলী হোসেন গংদের বিরোদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন, মামলা নং ১৪৯৫/১৩। মামলার রায় গত ১৯ জানুয়ারী’১৬ ইং তারিখ বাদী রবিউল আলমের পক্ষে আসে, রায় কুমিল্লা সদর দক্ষিন মডেল থানা পুলিশ বাস্তবায়ন করেন। রায় বাস্তবায়ন হওয়ার পর নতুন করে রাস্তা হয়। রাস্তার মধ্য দিয়ে স্থানীয় লোকজন গ্যাস সংযোগ নেন। এর কিছু দিন পর আদালতের রায়ে নির্মাণকৃত রাস্তা বিবাদী সিরাজুল ইসলাম ও তার ছেলেরা জোর করে রাস্তার মাটি কেটে নিয়ে যায়। যার কারনে রবিউল আলমের পরিবার ও আশেপাশের লোজজন চলাচল করতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রাস্তা কাটা নিয়ে বিবাদী সিরাজুল ইসলাম গং প্রায় সময় বাদী রবিউল আলম, তার ছেলে ও স্ত্রীকে মারধর করার হুমকি দিয়ে আসছে। আক্রমণের উদ্দেশ্যে গত ২৯ এপ্রিল’১৮ সকাল ৮ ঘটিকার সময় বিবাদী সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, সুজন, শান্ত সবাই একযোগে রবিউল আলম ও তার পরিবারে উপর হামলা করতে আসে। আশপাশের লোকজন থাকায় এই সময় আলম ও তার পরিবারের লোকজন প্রাণে বেঁচে যায়। আতংকিত হয়ে রবিউল আলম নিজ ও তার পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে গত ১৬ মে’১৮ ইং তারিখ সদর দক্ষিন মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী নথিভূক্ত করেন। সাধারণ ডায়েরী নং ৭৪৮, তারিখ ১৬/০৫/১৮। থানায় সাধারণ ডায়রী করার ১২ দিন পর ২৭ মে’১৮ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১০.৩০ মিনিটের সময় বাদী রবিউল আলমের বসত ঘরের সামনে বিবাদী সিরাজুল ইসলামের ছেলে, নাতি ও বহিরাগত কিছু লোকজন নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে বাদী রবিউল আলম, তার স্ত্রী নাছরিন বেগম, ছেলে মহিউদ্দিন নাহিদ, ভাতিজা আবু তাহের টিটুসহ ৪ জনকে আহত করে চলে যায়। আহতদের চিকিৎসা চলছে। সু-বিচারের প্রত্যাশায় বাদী রবিউল আলম বিবাদীগনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৩০২/১৮ ও ০৭/১৮। থানা পুলিশ মামলার তদন্ত করছে।