লাকসাম নবাব ফয়জুন্নেছা কলেজে জাতীয় শোক দিবস পালিত

কুমিল্লার লাকসামে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারী কলেজের উদ্দ্যেগে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। আজ বুধবার  কলেজ মিলনায়তনে ইতিহাসের মহানায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকি ও জাতীয় শোক দিবস বিভিন্ন কর্মসুচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়।

 

১৯৭৫-এর এই কালো দিনটিতেই জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, আবহমান বাংলা ও বাঙালির আরাধ্য পুরুষ, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুদের প্ররোচনায় মানবতার দুশমন, ঘৃণ্য ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে। কিছু বিশ্বাসঘাতক রাজনীতিকের চক্রান্তে এবং সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্যের নির্মম বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন প্রাণ হারান তার প্রিয় সহধর্মিণী বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, সেনা কর্মকর্তা শেখ জামাল ও দশ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল এবং নবপরিণীতা দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল। ইতিহাসের এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের সেদিন আরো প্রাণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। এ কারণে আজ বেদনাবিধুর ও কলঙ্কের কালিমায় কলুষিত বিভীষিকাময় ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর দিন। এই দিনটিকে জাতী পালন করে জাতীয় শোক দিব ও শাহাদাত বার্ষিকি হিসাবে।

 

দিবসটি উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে  নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারী কলেজ। কর্মসুচির মধ্যে রয়েছে র‌্যালি, কবিতা আবৃতি, কুইজ প্রতিযোগিতা, রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং পরিশেষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত পালন করে।

 

শোক দিবস পালন কমিটির আহবায়ক মো:  এ এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর ইমতিয়াজ আহমেদ।

 

এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল মালেক চৌধুরী, প্রফেসর হুমায়ুন কবি ভূঞা, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক দেওয়ান মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত।

 

এসময়  বক্তব্য রাখেন আবুল হাছনাত মো: মাহবুবুর রহমান, এ এফ এম হাফিজুর রহমান, শাহনাজ বেগম, আবুল হাকিম, ছাত্র নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থী বৃন্দ।