শচীনের হ্যাটট্রিক!

বেঙ্গালুরুতে নিউজিল্যান্ডকে ধবলধোলাই করার দিনে আজ হ্যাটট্রিক করেছেন শচীন টেন্ডুলকার। লিটল মাস্টারের হ্যাটট্রিকটা অবশ্য সাফল্যের নয়, ব্যর্থতার।
হায়দরাবাদ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ট্রেন্ট বোল্টের বলে বোল্ড হয়েছিলেন শচীন। ওই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে হয়নি ভারতকে। শচীনরা জয় পেয়েছিলেন ইনিংস ও ১১৫ রানে।
বেঙ্গালুরু টেস্টের প্রথম ইনিংসে শচীন বোল্ড হয়েছিলেন ডগ ব্রেসওয়েলের বলে। আজ দ্বিতীয় ইনিংসে টিম সাউদির বলে একইভাবে আউট হন লিটল মাস্টার। পর পর তিন ইনিংসে শচীন বোল্ড! মানে, বোল্ড হওয়ার হ্যাটট্রিক! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির মালিক শচীনের জন্য তো বটেই, যেকোনো ব্যাটসম্যানের জন্যই এমনটি অমর্যাদাকর।
একের পর এক বোল্ড হয়েছেন বলেই নয়, গোটা সিরিজই হতাশায় কেটেছে শচীনের। হায়দরাবাদ টেস্টে ৪৭ রান। বেঙ্গালুরু টেস্টে ১৭ ও ২৭। দুই টেস্টের তিন ইনিংস মিলিয়ে শচীনের সংগ্রহ মাত্র ৯১ রান। অথচ ১৯০ টেস্টে শচীনের গড় সংগ্রহ ৫৫।
পর পর দুই ইনিংসে বোল্ড হওয়ার পরই গুঞ্জন উঠেছিল, ৩৯ বছর বয়সী শচীনের খেলায় বয়সের ছাপ পড়েছে। রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা গেছে, বলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পা ফেলতে পারেননি এ সময়ের সেরা এই ব্যাটসম্যান। তাঁর ব্যাট ও প্যাডের মধ্যেও ছিল যথেষ্ট ফাঁক। ভারতের আরেক ব্যাটিং জিনিয়াস সুনীল গাভাস্কার মন্তব্য করেছিলেন, বয়সের কারণেই হয়তো আগের মতো পারফরম্যান্স করতে পারছেন না শচীন। সন্দেহ নেই, আজ বোল্ড হওয়ার হ্যাটট্রিক গড়ার পর শচীনের খেলায় বয়সের ছাপ পড়া নিয়ে ওঠা বিতর্কটা নতুন মাত্রা পাবে। সূত্র: রয়টার্স।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।