বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 21, 2021
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 21, 2021
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 21, 2021
spot_img
Homeবাংলাদেশযোগাযোগমন্ত্রী সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে বিশেষ নজরদারিতে রেখেছে দুদক

যোগাযোগমন্ত্রী সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে বিশেষ নজরদারিতে রেখেছে দুদক

ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর (খবর তরঙ্গ ডটকম)- সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে বিশেষ নজরদারিতে রেখেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কমিশনার মো. বদিউজ্জামান একথা জানান। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দুদকের করা মামলার এজাহারে সাবেক এই দুই মন্ত্রী নামও সন্দেহের তালিকায় আছে। এজন্য তারাও নজরদারিতে রয়েছেন। বদিউজ্জামান বলেন, দুদকের মামলায় সাবেক সেতু সচিবসহ মূল সাত আসামিকে গ্রেপ্তারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কমিশন। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, যতোক্ষণ না পর্যন্ত তারা গ্রেপ্তার হবেন, ততোক্ষণ পর্যন্ত তারা পলাতক বলে গণ্য হবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে দুদক কমিশনার বলেন, এসএনসি লাভালিনের তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এমএলএআর (মিউচ্যুয়াল লিগাল অ্যাসিসটেন্স রিকুয়েস্ট) পাঠানো হেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কানাডা সরকারের কাছ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

‘ইতিবাচক জবাব পেলেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কানাডার সরকারের অনুমতি সাপক্ষে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে’ যোগ করেন তিনি।

বদিউজ্জামান বলেন, ‘তাদের কাছে যে ডায়েরি আছে সেটাকে আমরা গুরুত্বের সাথে দেখব। কারণ, ওই ডায়েরিতে যাদের নাম আছে, সেটা শুধুই নাম লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল নাকি তাদের সাথে কোনো লেনদেন হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।’

অভিযুক্তরা আগাম জামিন নিলে তদন্তকাজে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তাতে তারা জামিন চাইতে পারেন। তবে জামিনে থাকা অবস্থায় তারা তদন্তকাজ প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে জামিন বাতিলে কমিশন আপিল করবে।’

প্রসঙ্গত, নানা চড়াই-উতরাই শেষে পদ্মা সেতু প্রকল্পে পরামর্শকের কাজ পাইয়ে দিতে ঘুষ লেনদেনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সোমবার সাতজনকে আসামি করে একটি মামলা করে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ-আল জাহিদ রাজধানীর বনানী থানায় মামলাটি করেন।

মামলার প্রধান আসামি সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

অন্য ছয় আসামি হলেন- সেতু কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (নদী শাসন) কাজী মো. ফেরদৌস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালটেন্ট লিমিটেডের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশে কানাডীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএনসি লাভালিনের স্থানীয় প্রতিনিধি মোহাম্মদ মোস্তফা, এসএনসি-লাভালিনের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল, এই সংস্থার আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ সাহ ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস।

মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন বা সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কাউকেই আসামি করা হয়নি। তবে তাদের সন্দেহভাজনের তালিকায় রাখা হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments