বিচারের যথাযথ প্রক্রিয়া ও নিরপেক্ষতা আপত্তির মধ্যেই কাদের মোল্লার মামলার রায় আজ

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ।
বিচারের যথাযথ প্রক্রিয়া ও নিরপেক্ষতা নিয়ে জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আপত্তির মধ্যেই দ্বিতীয় একটি রায় দিতে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনাল। এর আগে ধর্মীয় নেতা মাওলানা আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল। জনাব মোল্লার মামলার যুক্তি তর্ক শেষে গত ১৭ জানুয়ারি আবদুল কাদের মোল্লার মামলার রায় যে কোনো দিন দেয়া হবে মর্মে (সিএভি) তে রেখে দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গতকাল সোমবার বিচারক ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করেন।

ওই ঘোষণার পরপরই জামায়াতে ইসলামী আজ মঙ্গলবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে।

দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন।

দলটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে গঠিত ট্রাইব্যুনাল সরকারের নির্দেশিত ছকে আগামীকাল আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে রায় প্রদান করে সরকার ঘোষিত শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ছটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ঢাকার মিরপুরে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, গণ-ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি।

এসব অপরাধের বেশিরভাগই হয়েছে ঢাকা ও তার আশেপাশের এলাকায়। এসব ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে মোট ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তবে তার পক্ষে ছয়জনকে সাক্ষ্য দিতে দেয়া হয়।

মোল্লার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু হয় ২০১০ সালে। পরে ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনে। ২০১২ সালের মে মাসে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে তার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।