৩ জামায়াত নেতাকে ২৬ ফেব্রুয়ারী ট্রাইবুনালে হাজির হয়ে ব্যাখ্যার নির্দেশ

জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদসহ তিন নেতাকে ২৬ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইবুনালের বিচারাধীন বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ায় তাদের এই নির্দেশ দেয় ট্রাইবুনাল। বুধবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এ তাদের হয়ে আইনজীবীরা সময় প্রার্থনা করলে ট্রাইব্যুনাল এই দিন ধার্য করেন। জামায়তের আরেক নেতা হলেন ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মো. সেলিম উদ্দিন। ট্রাইব্যুনালে তিন জামায়াত নেতার পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের সাবেক ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলাল ও অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাত হোসেন ট্রাইব্যুনালের কাছে আট সপ্তাহ সময় প্রার্থনা করেন।
ট্রাইব্যুনাল তাদের আবেদন শুনে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেন। ওই দিন তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে বলা হয়েছে।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের এ তিন নেতার বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে শো’কজ নোটিস জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। আজ সশরীরে হাজির হয়ে তাদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেয়ার কথা ছিল।

এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মতিঝিলে জামায়াতের এক সমাবেশে ঢাকা মহানগরীর সহকারি সেক্রেটারি সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিবেন না। সব কিছু হিসেব করে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে সরকারকে হুঁশিয়ার করে দেন তিনি।

তিনি বলেন, একটা রায়-ই শেষ নয়। রায়েরপর রায় এরপর বহু প্রতিক্রিয়া আছে। বিষয়টি হালকাভাবে দেখলে চলবে না। দেশকে গৃহযুদ্ধের থেকে বাঁচাতে হলে বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল থেকে রায় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

জামায়াতের অপর নেতা হামিদুর রহমান আযাদ এমপি বলেন, এ ট্রাইব্যুনাল আর এক মুহূর্তও চলতে পারে না।

এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দৈনিকে তাদের বক্তব্য সম্বিলিত খবর প্রকাশিত হয়। ট্রাইব্যুনাল ওই খবর আমলে নিয়ে ওই আদেশ দেন।

এছাড়া রফিকুল ইসলাম খান গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রেসব্রিফিং করেছিলেন। সে বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল আমলে নিয়ে তাকেও ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।