বি.ডি.আর বিদ্রোহে নিহত কর্ণেল কাইসারের স্মৃতি রায় প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়ন হয়নি

পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্র“য়ারী বি.ডি.আর বিদ্রোহে নিহত হন কক্সবাজারের চকরিয়ার লেঃ কর্ণেল আবু মুছা মোহাম্মদ আইয়ুব কাইসার। তিনি পৌরসভার ভরামুহুরী এলাকার মরহুম মৌলানা আবদুল খালেকের পুত্র। তার স্মৃতি রার্থে স্থানীয়ভাবে দেয়া প্রতিশ্র“তি গুলোর একটিও বাস্তবায়ন হয়নি। তার স্মৃতিকে ধারণ করে রাখার জন্য সেদিন অনেকে প্রতিশ্র“তি দিয়েছিলেন। তারা এখন গায়েব।  বিশেষ করে স্থানীয় নেতারা তার নামে সড়ক নামকরণ ও স্মৃতি ফলক করার ঘোষণা দিলেও তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। অবমূল্যায়িত রয়েই গেলো কর্ণেল কাইছারের স্মৃতি। ওই সময় চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র চকরিয়া পুরাতন বিমান বন্দরের দণি প্রান্ত হতে ভরামুহুরীস্থ তার বাড়ী পর্যন্ত সবুজ বাগের প্রায় ১ কিঃ মিটারের সড়কটি শহীদ লেঃ কর্ণেল আবু মুছা মোহাম্মদ আইয়ুব কাইসারের নামে করার কথা বলেছিলেন। উপজেলা পরিষদের প থেকে তার কবরস্থানটি পাকাকরণ ও স্মৃতি সৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। ৫ বছর পার হলো। কিন্তু কোন প্রতিশ্র“তি এখনো পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।
শহীদ লেঃ কর্ণেল কাইসারের বড়ভাই ও চকরিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালের এম.ডি এনামুল হক জানান, গত বছর তার কবরের পাশে উপজেলা পরিষদের প থেকে একটি দায়সারা শোক স্মৃতি ফলক নির্মাণ করা হয়েছে। ওই শোক স্মৃতি ফলকের লিখা গুলোর পাশে গিয়েও ভাল করে দেখা যায় না। এটি শহীদের প্রতি অবমাননা হয়েছে।
তিনি শহীদ লেঃ কর্ণেল কাইসারের কবরের পাশের মসজিদটি পাকাকরণ ও সংস্কারের জন্য ইসলামকি ফাউন্ডেশনে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এ পর্যন্ত কোন বরাদ্দ দেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপরে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এনামুল হক এই বর্বর এ  হত্যাকান্ডের বিচারে শ্লথ গতি নিয়েও ােভ প্রকাশ করেন। তিনি সরকারকে ২৫ ফেব্র“য়ারী জাতীয় পর্যায়ে শোক দিবস পালনেরও আহবান জানান।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।