মির্জা ফখরুল-রিজভীসহ গ্রেপ্তার দেড় শতাদিক, অভিযান অব্যাহত

প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,ভাইস-চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, মো. শাজাহান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, ছাত্রদল সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ অন্তত দেড় শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্তত ১৯ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে প্রিজন ভ্যানে নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর নয়াপল্টন কার্যালয়ে গণগ্রেপ্তার শুরু করে পুলিশ। সন্ধ্যার সাড়ে ৬টার দিকে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদসহ আরও ১‌৫ জনকে আটক করে। এছাড়াও পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেড় শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের মতিঝিল জোনের এডিসি মেহেদি হাসান সাংবাদিকদের বলেছেন, কার্যালয়ের পুরো পাঁচ তলায়  অভিযান চালানো হবে। এ সময় যাদের পাওয়া যাবে, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলেও জানান তিনি।

এরআগে দলীয় কার্যালয় থেকে মির্জা ফখরুলকে প্রথমে আটক করে নিচে নিয়ে আসা হয়। এক পর্যায়ে তাকে ফের দলীয় কার্যালয়ে নেয়া হয়। কিছুক্ষণ পর ফের তাকে কার্যালয়ের বাইরে এনে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়।

প্রথম দফায় আটক করে বাইর আনার সময় মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তা তিনি এখনো জানেন না।’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না কেন আমাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমি হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েছি।’

এই স্বৈরাচারী সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করছে বলেও এ সময় মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন।

এরআগে বিকেলে নয়াপল্টনে ১৮ দলের পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ শুরু হলে অন্তত ১০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর পুলিশের সঙ্গে ১৮ দলের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় মির্জা ফখরুলসহ দলের নেতা-কর্মীরা দলীয কার্যালয়ে আশ্রয় নেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।