রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
spot_img
HomeUncategorizedঝিনাইদহের সাগান্না বাওড়ের সভাপতিরে বিরুদ্ধে অনাস্থা সাধারণ সম্পাদক ও ক্যাশিয়ার পদত্যাগ

ঝিনাইদহের সাগান্না বাওড়ের সভাপতিরে বিরুদ্ধে অনাস্থা সাধারণ সম্পাদক ও ক্যাশিয়ার পদত্যাগ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না বাঁওড় নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সভাপতি শাহাজদ্দীর বিরুদ্ধে ৮৭ জন মৎস্যজীবীর মধ্যে ৬৬ জন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাকে বহিস্কারের দাবী জানিয়েছেন। অন্যদিকে সাধারণ মৎস্যজীবীদের চাপের মুখে পদত্যাগ করেছেন সাধারণ সম্পাদক ও বাওড়ের ক্যাশিয়ার।
এদিকে মাছ বিক্রি করতে না পেরে চরম আতঙ্কে দিন কাটছে মৎস্যজীবীদের। প্রভাবশালী একটি গ্র“প বাঁওড়টি নিজেদের আয়াত্বে নিতে  চেষ্টা করছে এমন অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। তাদের হুমকি ও চাপের মুখে রয়েছেন বাঁওড়ের মৎস্যজীবীরা। অন্যদিকে বাঁওড় থেকে জোরপূর্বক মাছ লুটের ঘটনাও ঘটছে বলে শোনা যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের সাগান্না গ্রামে ১৪১ একর জুড়ে এই বাঁওড়। সাগান্না বাঁওড় মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নামে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইজারা দিয়েছে জেলা জলমহল কমিটি। কিন্তু নিজেদের দ্বন্দের কারণে বাঁওড় এলাকায় বসবাসরত প্রায় এক শত জেলে পরিবারের মাছ ধরা বন্ধ হয়ে গেছে। জানা গেছে বাওড়ের সভাপতির বিরুদ্ধে চুরি করে বালি বিক্রি, ছেলে দিয়ে মাছ ধরাসহ নানাবিধ দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কালাচাঁদ সিংহের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হলে তিনি মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়ে আগামী ৯ এপ্রিল নতুন কমিটি গঠনের দিন ধার্য্য করেছেন।
মৎস্যজীবীদের লিখিত অভিযোগ পেয়ে তিনিসহ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বাওড় পরিদর্শন করে সভাপতির বিরুদ্ধে সাধরণ মৎস্যজীবীদের ফুসে ওঠার বিষয়টি জানতে পেরেছেন।
হলিধানী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে। তিনি জানান, সাধরণ মৎস্যজীবীরা যাতে তাকের অধিকার ফিরে পান সেই জন্য ৯ এপ্রিল বসে একটি সমঝোতা করা হতে পারে। তিনি বলেন বাওর নিয়ে কিছু শিথ্যা কলাও প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু সে গুলো সঠিক নয়। এদিকে অভিযুক্ত সাগান্না বাঁওড় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি শাহাজদ্দিন (৫৪) জানান, জেলেদের আয়ের একমাত্র উৎস মাছ ধরা। বর্তমানে জেলেরা অধিকার থাকার পরও সাগান্না বাঁওড়ে মাছ ধরতে পারেন না। সরকার প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জন্য জলাশয়, বাঁওড় উন্মুক্ত করে দিলেও ক্ষমতাবানদের কাছে সাধারণ জেলেরা অসহায়। সম্প্রতি বাঁওড়ের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রিজিত হালদার ও কোষাধ্যক্ষ মতলেব মিয়াকে জোরপূর্বক আটকে রেখে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা। তারা সেচ্ছায় পদত্যাগ করেন নি। বিষয়টি সম্পর্কে সদর উপজেলার বিদায়ী মৎস্য কর্মকর্তা ড.মনিরুজ্জামান জানান, জোর করে বাঁওড় দখল করে নিয়েছে বলে আমি শুনে।ি এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র হাওলাদার বলেন, সাগান্না বাঁওড়টি উন্মুক্ত জলাশয়। ঘটনা সঠিক হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments