সারাদেশে হেফাজত ইসলামের নজিরবিহীন হরতাল পালিত

লংমার্চে বাধা, কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা-নির্যাতন-গ্রেপ্তার এবং ১৩ দফা দাবি আদায়ে হেফাজতে ইসলামের ডাকে সারা দেশে নজিরবিহীনভাবে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত। সারাদেশে পিকেটিং ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়। হরতালে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে হেফাজতের সমাবেশে হামলা চালায় ছাত্রলীগ। পরে তা সংঘর্ষে পরিনত হয়,গোলাগুলি হয়, এত ১০ জন গুলিবিদ্ধ সহ ২৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়।এছাড়া হরতালে দেশের আর কোথাও কোন প্রকার বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাগাই শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়।

হরতাল ঘিরে রাজধানী ঢাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে। যাত্রাবাড়ী এলাকায় হরতাল সমর্থনে মিছিল। বেশ কয়েকটি যানবাহনে ভাঙচুর চালিয়েছে হরতাল সমর্থকরা।

কাঁচপুরে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ। কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুর বসিলা, মিরপুর, সায়েদাবাদ ও পল্টন এলাকায় হেফাজতকর্মীরা মিছিল বের করে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড ও লালবাগ জামে মসজিদের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে হেফাজতকর্মীরা।

হরতালে সকাল থেকে রাজধানীতে রিক্সা ও অটোরিক্সা চলাচল করছে। তবে গণপরিবহনের সংখ্যা খুবই কম। গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ থেকে দূরপাল্লার কোনো যান ছেড়ে যায়নি। তবে রেল ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। হরতালে রাজধানীতে দোকান-পাট তেমন খোলেনি।

গত শনিবার লংমার্চ পরবর্তী মতিঝিলের মহাসমাবেশ থেকে এই হরতালের ঘোষণা দেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব জুনায়েদ বাবু নগরী। দাবি পূরণ না হলে ৫ মে ঢাকা অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।