বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 2, 2021
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 2, 2021
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 2, 2021
spot_img
Homeজেলা রামগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের দুগ্র“ফে সংঘর্ষ, ৭ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর লুটপাট,...

রামগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের দুগ্র“ফে সংঘর্ষ, ৭ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর লুটপাট, গুলি, আহত-১৫

রামগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের দুগ্র“পে সংঘর্ষে পথচারীসহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে। এসময় হামলায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এমরান হোসেন এমুর অফিসসহ ৭টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ভাংচুর চালিয়েছে সশস্ত্র দলীয় ক্যাডাররা। এসময় সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি বর্ষন করলে পুলিশও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার বেলা সাড়ে ৩টায় রামগঞ্জ উপজেলার বাস টার্মিনালে।
স্থানীয় সূত্রে জানায়, রামগঞ্জ বাসটার্মিনালের ইউনিক হার্ডওয়ারের মালিক তোফায়েল আহম্মেদ (৫০) কে শনিবার দুপুর আড়াইটায় ফরহাদ, ফয়ছাল, মিলনসহ ৮/১০জনের একটি গ্র“প পূর্ব শত্র“তা ও আদিপত্য বিস্তারের জের ধরে মারধর করে । তোফায়েলের উপর হামলার খবর তার আত্মীয়স্বজন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মামুন জানতে পেরে বেলা সাড়ে ৩টায় মামুন সমর্থিত কালু মিয়া, সুমন, সাখায়েত, আকিব, বাপ্পি ও রাশেদসহ ২০/৩০ জনের একটি সশস্ত্র গ্র“ফ নন্দনপুর ও সাতারপাড়ার লোকজন ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উপর হামলা চালিয়ে রাজু কনফেকশনারী এন্ড ভ্যারাইটিজ ষ্টোর, মর্ডান সাইকেল মার্ট, রফিকের গোস্তের দোকান, সোহাগের ফল দোকানে ব্যপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় হামলাকারীরা রামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এমরান হোসেন এমুর অফিসে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমানের ছবি ভাংচুরসহ অফিসে ব্যপক তান্ডব চালায়।
এসময় হামলাকারীদের এলোপাতাড়ী আঘাতে মোঃ হোসেনের শিশু সন্তান অভি (৬) ব্যবসায়ী ছানা উল¬া (৩৩), যুবলীগ সভাপতির অফিস সহকারী মোঃ তুহিন (২২), ফয়ছাল (২২), হৃদয় (১৯), নুরুল ইসলাম (৪০), বাবু (২০, মোঃ হোসেন (২৩), সোহাগ (২৮), রফিক (৩০), রাজু (২০)সহ ১৫ জন আহত হয়েছে।
বিকাল ৫টায় সাতারপাড়া নন্দনপুর লোকজন জড়ো হয়ে মামুন সমর্থিতদের ধাওয়া করলে মামুন সমর্থিত কালু মিয়া ফাঁকা গুলি করে। এসময় পুলিশও উভয় গ্র“ফকে ছত্রভংঙ্গ করতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাস টার্মিনাল এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। রামগঞ্জ শহরের সকল দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। নাশকতা এড়াতে পুলিশ বাস টার্মিনাল ও খাদ্য গুদাম চত্বরে অবস্থান নিয়েছে।
এ ব্যপারে স্থানীয় কাউন্সিলর ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন জানান, সৃষ্ট ঘটনায় মিমাংসার চেষ্টা চলছে। না হলে আইনের আশ্রয় নেয়া হবে।
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এমরান হোসেন এমু জানান, আমি অফিসে ছিলাম না। খবর পেয়ে এসে দেখি আমার অফিস ভাংচুর করা হয়েছে। ভাংচুরকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মঞ্জুরুল হক আকন্দ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments