রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
রবিবার, অক্টোবর 24, 2021
spot_img
Homeরাজনীতিসাভার যুবলীগের তালিকায় ‘রানা প্লাজা’র মালিক রানার নাম নেই: প্রধানমন্ত্রী

সাভার যুবলীগের তালিকায় ‘রানা প্লাজা’র মালিক রানার নাম নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করে বলেছেন সাভারে ধসে পড়া ‘রানা প্লাজা’র মালিক পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা সাভার যুবলীগের নেতা নন । প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রানা নাকি যুবলীগ নেতা! আমি সাভার যুবলীগ কমিটির তালিকা নিয়ে এসেছি। সেখানে তার কোনো নাম নেই। তিনি দলের কেউ নন।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘দল ক্ষমতায় এলে অনেকেই ক্ষমতাসীন দলের পরিচয় দেন। কিন্তু দলের দোহাই দিয়ে কেউ রেহাই পাবেন না।’

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সাভারে ভবন ধসের বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেছেন, ‘যারা গার্মেন্টস শ্রমিকদের জোর করে কাজ করাতে বাধ্য করেছেন তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে। দায়ী ব্যক্তি যে দলেরই হোক, অন্যায় করলে শাস্তি পাবে। আমার দলের হলেও শাস্তি পাবে।’

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে এ ঘটনায় দু’টি মামলা হয়েছে। আমরা গরিব মানুষদেরই রাজনীতি করি। তাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। মানুষের জীবন নিয়ে খেলাকারী যেই হোক, তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।’

বিরোধীদলীয় নেতার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ উদ্ধার কাজ চলা অবস্থায় বিরোধীদলীয় নেত্রী সেখানে যান। তিনি যতোক্ষণ সেখানে ছিলেন, ততোক্ষণ উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে।’

উদ্ধারকাজের সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এতো অল্প সময়ে এতোগুলো মানুষকে উদ্ধার সহজ কাজ নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন কাজ আর হয়েছে কি না আমার জানা নেই। ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে সাভারে আমাদের সংসদ সদস্য মুরাদ জং, ছাত্রলীগ-যুবলীগ ছুটে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে আমি সেনাবাহিনী তলব করি।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্থানীয় যুবলীগ নেতা সোহেল রানার মালিকানাধীন নয় তলা ‘রানা প্লাজা’ বুধবার সকালে ধসে পড়ে। একটি তলার সঙ্গে একটি তলা মিশে এটি এখন তিন তলায় পরিণত হয়েছে।

ধসে পড়ার সময় ওই ভবনে তিন হাজারেরও বেশি লোক কর্মরত ছিল। এরপর থেকেই হতাহতদের উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা। এতে সহযোগিতা করছে স্থানীয়রাও।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বিধ্বস্ত ভবন থেকে অন্তত ২৪৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭৯ জনের মরদেহ তাদের আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি। এখনও ভবনের নিচের তলাগুলোতে সহস্রাধিক আটকা পড়ে আছে।

মঙ্গলবার বিকেলেই ভবনটিতে বড় ধরনের ফাটল দেয়। এরপর ব্যাংকসহ কিছু কার্যালয় বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু বুধবার সকালে ভবনের গার্মেন্টস কারাখানাগুলোতে শ্রমিকদের কাজ করতে বাধ্য করে মালিকরা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments