বিলোনীয়া স্থল বন্দরে আংশিক মজুরি বৃদ্ধি চাকরী হারানোর আশংকায় শ্রমিকরা

পরশুরামের বিলোনিয়া স্থল বন্দর শ্রমিকরা ধর্মঘট পালনের পর কর্ম হারানো আতংকে ভুগছেন। এনিয়ে নিকটাত্মীয়রা ছাড়া অপর ২৩ শ্রমিকের পরিবারে হতাশা বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন থেকে শ্রমিকদের কাজের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করছে ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগ নেতা ইব্রাহীম। অন্যায়ভাবে শ্রমিকদের মারধর, ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতি ও সরকার দলীয় নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজী করে আসছে। তার এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সোমবার বন্দর শ্রমিকরা আধাবেলা ধর্মঘট পালন করে। এতে করে অচল হয়ে পড়ে বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম। তাদের দাবীর প্রেক্ষিতে বিলোনিয়া স্থল বন্দরে এক ব্যাগ সিমেন্ট লোড-আনলোড করলে ০.৯৩ টাকা থেকে ১ টাকা ১০ পয়সা বেড়েছে। ৫ শত ঘনফুটের একটি ট্রাকের পাথর উঠানামা করলে ১ হাজার ২ শত টাকা থেকে ১ হাজার ৪শ টাকা, ৭ শত ফুটের পাথর উঠানামা করলে ১ হাজার ৪ শত টাকা থেকে ১ হাজার ৬শ টাকা, ৩০ টন রড় উঠানামা করলে ৫ শত টাকা থেকে ৭শ টাকা, ৭ টন খৈল উঠানামা করলে ৫ শত টাকা থেকে ৭শ টাকা, মশারী কাপড় ৫ থেকে ৬ টন উঠানামা করলে ৫ শত টাকা থেকে ২শ টাকা বেড়েছে। শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরী বৃদ্ধিতে সন্তোষ নয় শ্রমিকরা। এছাড়া মজুরী বৃদ্ধি করলেও আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে বিরত থাকতে লিখিত চুক্তিনামা করে। বৃহস্পতিবার শ্রমিকদের নিয়ে বৈঠকে বসার কথা থাকরেও পৌর মেয়র ও আওয়ামীলীগ নেতা নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেলের উপস্থিতিতে নির্ধারিত তারিখের দুই দিন আগে মঙ্গলবার বিকালে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে বৈঠকে বসে। লিখিত চুক্তিনামা নেয়ায় শ্রমিকদের মাঝে যে কোন সময় চাকরী হারানোর আতংক বিরাজ করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক জানান, দাবী অনুযায়ী মজুরী বৃদ্ধি না করেও জোরপূর্বক চুক্তিনামায় স্বাক্ষর নেয়।
এ ব্যাপারে জানতে মো: ইব্রাহীমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।