কক্সবাজারে ১১০ বোতল ফেন্সিডিলসহ যুবলীগ নেতা ও মাদক সম্রাট অপু আটক

কক্সবাজারে ১১০ বোতল ফেন্সিডিলসহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও যুবলীগ নেতা অপু (৩৬) পুলিশী অভিযানে আটক হয়েছে। ২৩ মে(বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার এসআই সাহেদ উদ্দিন, এসআই কৈশ্য ন্যু মার্মাসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে শহরের উত্তর তারাবনিয়ারছড়ার কমার্স কলেজ রোডস্থ নিজ বাড়ী থেকে উল্লেখিত পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ হাতেনাতে অপুকে আটক করতে সক্ষম হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ফেন্সিডিল গুলো বাড়ীর সিঁড়ির নিচে গর্ত করে বিশেষ ব্যবস্থায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপুসহ ফেন্সিডিলগুলো হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। অপারেশন অফিসার এসআই সাহেদ উদ্দিন জানিয়েছেন, অপু একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। কক্সবাজার শহরে তার নেতৃত্বে শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট রয়েছে। টেকপাড়ার বাপ্পীসহ চিহ্নিত আরো অনেকে এই সিন্ডকেটের সাথে সক্রিয় রয়েছে। শহরের সমস্ত মাদক ব্যবসা এই সিন্ডিকটির নিয়ন্ত্রণে বলে জানা গেছে। স্বামীর সাথে স্ত্রী দিলরুবা বেগম(৩০)ও এই অনৈতিক ব্যবসা চালিয়ে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। তবে স্ত্রীকে হাতেনাতে পেয়েও পুলিশ আটক করেনি কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, স্ত্রীর শিশু সন্তান থাকায় মানবিক কারনে আপাতত: তাকে আটক করেনি পুলিশ। অপরদিকে এলাকাবাসী জানিয়েছে, মাদক ব্যবসা ছাড়াও অপু একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এলাকাবাসী তাকে মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসী হিসেবেই চেনে। সে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজি,জমি দখলসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে। অবশেষে ফেন্সিডিলসহ পুলিশের হাতে সে হাতেনাতে আটক হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্থি ফিরে এসেছে। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শহরের মাদক বণিজ্যের অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে এলাকাবাসীর অভিমত। উল্লেখ্য, হরিপদ শর্মার ছেলে অপু শর্মা ইতোপূর্বে ধর্মান্তরিত হয়ে আদনান ইসতিয়াক অপু নামধারণ করে। এরপর থেকে সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগে জানা গেছে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।