তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকার অপপ্রচার চালাচ্ছে:বিএনপি

প্রধান বিরোধী দল বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকার অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ দলটির। তার বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ গত চার বছরেও সরকার প্রমাণ করতে পারেনি বলে দাবি করেছে দলটি।

শুক্রবার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এমন দাবি করেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরতে না পারে সেই জন্যে সরকার তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সরকারি দলের দায়িত্বশীল নেতাদের এই ধরনের বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান রফিকুল।

প্রসঙ্গত, রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, তারেক রহমান বিদেশে বসে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে। একজন ফেরারি আসামি হয়ে যেভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন তা আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ।

তিনি বলেন, ‘তাই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। অপরাধী যত বড় হোক না কেন আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তারেক যেখানেই থাকুক ইন্টারপোলের সাহায্য নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে ফিরলে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে আরো শক্তিশালী হবে এই ভয়ে সরকার ভীত। তারা রাজনৈতিক দূরভিসন্ধি থেকে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তারেক রহমানকে নিয়ে সরকারি দলের নেতাদের বক্তব্যকে বানোয়াট ও অসত্য দাবি করে এর তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা নির্ভর করছে তার চিকিৎসার ওপর।

সাংবাদিকের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইন্টারপোলের মাধ্যমে তারেক রহমানকে দেশে আনা হবে। আইন প্রতিমন্ত্রী এমন বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার কথার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।’

এ সময় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বিএনপির সিনিয়র-ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের পর সরকারি দলের নেতাদের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে, তারা আতঙ্কিত হয়ে এমন সব কথা বলছেন।’

তারেক রহমান দেশে আসলে সরকারের ভীত নড়ে যাবে দাবি করে তিনি আরো বলেন, ‘তারেক রহমানের কোনো দুর্নীতির অভিযোগ সরকার প্রমাণ করতে পারেনি।’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।