কক্সবাজারে ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে বাগদা চিংড়ি চাষ হচ্ছে

কক্সবাজার জেলায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে বাগদা চিংড়ি চাষ হচ্ছে। চিংড়ি শিল্পের উন্নয়নে সরকারি সুযোগ-সুবিধা আরো বাড়লে চাষাবাদ আরো বৃদ্ধি পাবে। এ স¤র্পকিত একটি আলোচনা সভায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, কক্সবাজারের সর্বত্র বাগদা চিংড়ির চাষ হয়। তবে চকরিয়াতে বাগদা চিংড়ির চাষের পরিমান বেশি। এতে বলা হয়, সরকার চিংড়ি শিল্পখাত নিয়ে ভাবছে। চিংড়ি ব্যবসায়ি’সহ সংশ্লিষ্ঠ সবার এক্ষেত্রে সরকারকে সহযোগিতা দিয়ে এ শিল্পকে আরো বেশি উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়া দরকার। মৎস্য অধিদপ্তরের চিংড়ি চাষ সম্প্রসারন-এর আঞ্চলিক মৎস্য কর্মকতার কার্যালয়ের আয়োজনে ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পরিবেশ বান্ধব বাগদা চিংড়ি চাষের ভুমিকা, এ সেক্টরের বিদ্যমান সমস্যা ও সমাধান’ শীর্ষক এক সভা ২৭ মে সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপরোক্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। কক্সবাজারের ঈদগাহস্থ দি কিং অব ঈদগাহ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন-মৎস্য অধিদপ্তরের চিংড়ি চাষ সম্প্রসারনের আঞ্চলিক মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল আমিন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- মৎস্য অধিদপ্তরের চট্রগ্রাম বিভাগের (কুমিল্লা) উপ-পরিচালক এ.কে.এম সিদ্দিক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন-চিংড়ি বিশেষজ্ঞ ম. কবির আহমদ, মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প  ব্যবস্থাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক অমিতোষ সেন, চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক স্বপন চন্দ্র পাল এবং  কক্সবাজার মাৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল আলম ও মৎস্য অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকতা মোহাম্মদ জাভেদ। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন-অমিতোষ সেন।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন-মৎস্য চাষ প্রকল্পের (এডিবি) প্রকল্প ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মতামত তুলে ধরেন-চিংড়ি ঘের-ব্যবসায়ি’সহ সংশ্লিষ্ঠরা।উল্লেখ্য যে, অনুষ্ঠানে চিংড়ি খামার-ঘের মালিক, ব্যবসায়ি ও মৎস্য ব্যবসায়ি’সহ বিভিন্ন পর্যারের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ’র স্বতেজ:ফুর্ত অংশগ্রহন ছিল।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।