আন্দোলন মোকাবেলায় সরকারকে কঠোর হওয়ার পরার্শ দিলেন “তানিয়া আমীর”

আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য ও হরতালের মতো কর্মসূচি মোকাবেলায় সরকারকে আরো কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমির।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলা একাডেমী মিলনায়তনে বিবিসি-বাংলাদেশ সংলাপ অনুষ্ঠানে প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ পরামর্শ দেন। এ সময় প্যানেলে আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অব. এবি তাজুল ইসলাম, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও কলা অনুষদের ডিন ড. সদরুল আমীন।

বিবিসি বাংলা ও বিবিসি মিডিয়া যৌথ ভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ এবং উপস্থাপনা করেন আকবর হোসেন।

তানিয়া আমীর বলেন, “গণতন্ত্রে অবশ্যই আন্দোলন করার অধিকার আছে। কিন্তু দেশের মালিক জনগণ। তাদের জিম্মি করে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে তারা যা করছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

তিনি বলেন, “কোনো দেশে যদি কেউ আন্দোলনে নামে জাতীয় পতাকা পোড়ায়, শহীদ মিনার ভাঙচুর করে, সেক্ষেত্রে সরকারকে আরো কঠোর হওয়া উচিত। আমি মনে করি, সরকার এ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে।”

তানিয়া আমীর বলেন, “দেশটা জনগণের। এ দেশের মালিক জনগণ। এখানে জণগণই সিদ্ধান্ত নেবে কারা কোথায় আন্দোলন করবে। রাজনীতবিদরা প্রয়োজনে তাদের আন্দোলনের জন্যে অন্য কোথায় যাক। রাস্তা অবরোধ করে, হরতাল করে কিসের আন্দোলন?”

হেফাজতের আন্দোলনের প্রসঙ্গে টেনে ক্যাপ্টেন অব. এবি তাজুল ইসলাম বলেন, “সরকার যে অ্যাকশন নিয়েছে তা আরো কঠোর হওয়া উচিত ছিল। আমি মনে করি, তাদের সেখান থেকে সন্ধ্যার মধ্যেই সরানো উচিত ছিল। তারা সেখানে নৈরাজ্য করেছে, ভাঙচুর করেছে, কুরআন শরীফ পুড়িয়েছে।”

মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, “জাতীয় পতাকায় আগুন, শহীদ মিনার ভাঙচুর কারোই কাম্য নয়। কিন্তু সরকার বিরোধী দলের সব নেতার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। তাদের জামিন না দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।