ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ৭ থেকে ১০ বছরের জেল হতে পারে আশরাফুলের

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান আজিম বলেছেন ক্রিকেটীয় শাস্তি তো আছেই; ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফৌজদারি আইনে আশরাফুলের সাত থেকে ১০ বছরের জেল হতে পারে। আয় বহির্ভূত সম্পত্তি থাকলে তদন্ত করতে পারে দুদকও। তবে যাদের চাপে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন আশরাফুল, প্রতারণা আইনের ধারায় তাদেরও সমান শাস্তি পেতে হবে। বৃহস্পতিবার বেসরকারি টেলিভিশন ইন্ডিডেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আইসিসির ক্রিকেটীয় শাস্তির বাইরেও, স্পট ফিক্সিংয়ের মাধ্যমে গোপনে অবৈধ অর্থ নেয়া ও প্রতারণার অপরাধে ২০১১ সালের নভেম্বরে সালমান বাটকে আড়াই বছর, আসিফকে এক বছর ও আমিরকে ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন সাউথওয়ার্ক ক্রাউন আদালত। ঘটনাটি ইংল্যান্ডে ঘটেছিল ও দেশের প্রচলিত আইনে এ ধরনের কাজ ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য। সেটাই ছিল ক্রিকেটে দুর্নীতির কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের কারাভোগের প্রথম ঘটনা।

ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানায়, বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অপরাধ নিজের মুখে স্বীকার করে নেয়ায় আশরাফুলকে পাঁচ বছর থেকে থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করতে পারে বিসিবি। এমনকি বাংলাদেশের প্রচলিত ফৌজদারি আইনেও প্রতারণার অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে জেল হতে পারে আশরাফুলের। এই ঘটনায় তদন্ত করতে পারে দুদকও। তবে ক্রিকেটাররা যেহেতু বয়সে নবীন। তাদের অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে যদি কেউ চাপে ফেলে এই অপরাধ  ঘটায়, প্রচলিত আইনে সমান শাস্তি পাবে তারা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।