লাকসামে কলেজ ছার্ত্রী প্রেমের টানে উধাও: অভিভাবকদের থানায় মিথ্যা অপহরনের অভিযোগদায়ের

লাকসামে কলেজ ছাত্রী প্রেমের টানে উধাও হওয়ার ১৬দিন পর ইউপি চেয়ারমানের সহায়তায় ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ। কলেজ ছাত্রী শারমিন আক্তার (১৯) নিজে স্থানীয় মুদাফফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে গতকাল শুক্রবার সকালে চেয়ারম্যানের নিকট হাজির হয়ে প্রেমের টানে নিরুদ্দেশ হওয়ার ঘটনা প্রকাশ করে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহ আলম পুলিশকে সংবাদ দিলে, পুলিশ ্ঐ ছাত্রীকে থানায় নিয়ে আসে।
জানা যায়, মুদাফফরগঞ্জ ইউনিয়নের নাগরীপাড়া গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছেলে তাজুল ইসলামের (২৪) সাথে মুদাফফরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের ছার্ত্রী পাশ্ববর্তী বাকই ইউনিয়নের আশড়া গ্রামের প্রবাসী রফিকুল ইসলামের মেয়ে শারমিন আক্তারের সাথে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। প্রেমের টানে গত ২৪ মে কলেজ থেকে বাড়ী যাওয়ার পথে প্রেমিক তাজুল ইসলামের হাত ধরে নিরুদ্দেশ হয়। শারমিনকে না পেয়ে তার মা সেতারা বেগম গত ৫ জুন ৫জনকে আসামী করে  থানায় একটি অপহরনের অভিযোগ দায়ের করে। অপহরন অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানা পুলিশ প্রেমিক তাজুল ইসলামকে তার মুদাফফরগঞ্জ বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক করে। প্রেমিক আটক হওয়ার পরদিন শারমিন আক্তার স্থানীয় মুদাফফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ে হাজির হয়ে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের ঘটনা ও পালিয়ে গিয়ে ৪ লাখ টাকার দেনমোহর ধার্য্য করে বিয়ে করার কথা স্বীকার করে।

কলেজ ছাত্রী শারমিন আক্তার এ প্রতিবেদকে জানান; আমরা দু’জনে দীর্ঘদিন থেকে একে অপরকে ভালবেসে এসেছি, এবং গত ক’দিন আগে পালিয়ে গিয়ে উভয়ের সম্মতিক্রমে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি। অপহরনের অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা ও আমার নব বিবাহিত স্বামীকে নাজেহাল করতে আমার মা থানায় একটি মিথ্যা ্অপহরনের অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অপহরনের অভিযোগের বিষয়ে লাকসাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমর্কতা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবার মুদাফফরগঞ্জ বাজার থেকে আটক করা হয়েছে এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় কলেজ ছাত্রী শারমিনকে উদ্ধার করা হয়।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।