দুদক চেয়ারম্যানের পদে বহাল থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোটে রিট

সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর চেয়ারম্যান পদে গোলাম রহমানের থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোটে রিট করেছেন। রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মির্জা আল মাহমুদ রিটটি দায়ের করেন। এর আগে গত ৫ জুন তার কাছে পাঠানো লিগ্যাল নোটিশের জবাব না দেয়ায় এই রিট দায়ের করা হয়েছে বলে আইনজীবী জানান।

 রিটে ২ মে দুদক চেয়ারম্যানের চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরও কোন কর্তৃত্ব বলে তিনি এখানো বহাল আছে, এই সময়ে তার করা কার্যক্রমকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং এই সময়ে নেয়া বেতন ভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে না মর্মে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।
বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার ও বিচারপতি মো. খুরশিদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটি করা হয়।
মির্জা আল মাহমুদের সঙ্গে আরো দুই আইনজীবী রয়েছেন। তারা হলেন অ্যাডভোকেট মো. শহিদুজ্জামান ও অ্যাডভোকেট জে আর খান রবিন।
গত ৫ জুন পাঠানো লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর সময় সংবাদ সম্মেলনে মির্জা আল মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, “২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল গোলাম রহমানকে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেয় সরকার। দুদক আইনে আছে নিয়োগের তারিখ থেকে এটি কার্যলকর হবে। সে হিসেবে তার মেয়াদ ১ মে পর্যন্ত। কিন্তু তিনি কোন কৃর্তৃত্ব বলে বিধিবদ্ধ কার্যাকাল শেষ হওয়ার পরও উক্ত পদে বহাল রয়েছেন এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তার সকল কার্য্ক্রম কেন অবৈধ হবে তা জানতে চাওয়া হয়েছে নোটিশে।”
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২ এপ্রিল তৎকালীন চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান ও জরুরি সরকারের পূর্ববর্তী সময়ে তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা লে. জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরী ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলে চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়। এরপর ওই বছর ৩০ এপ্রিল সরকারের সাবেক সচিব গোলাম রহমানকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।