রায়পুরে যৌতুকলোভী বিয়ে পাগল প্রতারককে কারাগারে প্রেরণ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে রোববার (৯ জুন) বিকেলে জসিম উদ্দিন (৩০) নামের যৌতুকলোভী এক বিয়ে পাগল প্রতারককে রায়পুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে চাঁদপুর কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি পৌরসভার শায়েস্তানগর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে। এ ঘটনায় শহরজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৯ জুন) রাত ২টায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে কেরোয়া ইউনিয়নের নয়ারহাট এলাকা থেকে জসিমকে তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। এছাড়াও ফরিদগঞ্জ ও নোয়াখালী থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে জসিম উদ্দিন ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা গ্রামের আলাউদ্দিনের কিশোরী মেয়ে খুরশিদা আক্তারকে চতুর্থ বিয়ে করেন। দুই রাত সংসার করে জসিম লাপাত্তা হয়ে যায়। পরে বাধ্য হয়ে খুরশিদা চাঁদপুর চিপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে জসিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
রায়পুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জসিম জানিয়েছে, তিন বছর আগে প্রথম বিয়ে করেন রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারের মেয়েকে। দ্বিতীয় বিয়ে করেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার সোনাইমুড়ি গ্রামে। তৃতীয় বিয়ে করেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামে। তবে তিনটি বিয়েই তিনমাসের বেশি স্থায়ী করেননি এবং এটাই তার নেশা বলে জানান।

ক্ষতিগ্রস্ত খুরশিদা বলেন, জসিমের ছলনায় পড়ে তার বাবা-মা যৌতুক হিসেবে ২০ হাজার টাকা ও স্বর্ণগয়না দিয়ে বিয়ে দেয়। কিন্তু সে আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। সে যে একাধিক বিয়ে করেছে আগে তারা জানতেননা। তার মতো আর কেউ যেন প্রতারণার শিকার না হয় সেজন্য তিনি জসিমের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।