কক্সবাজার জেলায় লবণের বাম্পার

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ  বছর কক্সবাজারে লবণের বাম্পার উৎপাদন হয়েছে। টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ, সাবরাং , মহেশখালীর মাতারবাড়ী,ধলঘাটা, কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল, জেলেপাড়া উপকূলীয় বেড়িবাঁধ বিধ্বস্থ থাকায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে এ বছর লবণ চাষাবাদ করা সম্ভব হয়নি। তবে উৎপাদন আধিক্যে লবণ চাষিরা খুশি হলেও দাম কম হওয়া এবং বিদেশ থেকে লবণ আমদানির সরকারি সিদ্ধান্তে প্রচুর লবণ মজুদ করলেও লবণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বিপাকে পড়েছে। কক্সবাজারে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প তথা বিসিকের আওতায় ১১টি লবণ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। তা হচ্ছে- টেকনাফ, কুতুবদিয়া, গোরকঘাটা, মাতারবাড়ি, উত্তর নলবিলা, ইসলামপুর, নাপিতখালী, চৌফলদন্ডি, বাঁশখালী, খুটাখালী ও দরবেশ কাটা। ফেব্রুয়ারী থেকে এপ্রিল এই ৩ মাসকে লবণ উৎপাদনের মৌসুম ধরা হয়। এবছর উপকূলীয় বেড়িবাঁধ বিধ্বস্থ থাকায় সহস্রাধিক একর জমিতে লবনের চাষাবাদ করা সম্ভব হয়নি। গত বছরের তুলনায় এ বছর সহস্রাধিক একর জমিতে লবণের চাষাবাদ কম হলেও উৎপাদন তুলনামূলক কম হয়নি। এদিকে, লবণ উৎপাদন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে  লবণ চাষিরা গুদামের অভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে লবণ মজুদ করেছে। বড় বড় মাটির গর্তে পলিথিন বিছিয়ে লবণ রাখার পর উপরে পলিথিন ও মাটি দিয়ে হাজার হাজার টন লবণ সংরক্ষণ করেছে। দেখলে মনে হয় মাটির কিল্লা বা টিলার মতো। এ উপায়ে সংরক্ষণ করা হলে লবণের কোনো ক্ষতি হয় না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টর।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।