মনোহরগঞ্জে পুলিশের ধর-ছাড় বানিজ্য রমরমা

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে পুলিশের জামায়াত-শিবির দমন নামে চলছে ধর-ছাড় বানিজ্য। আতঙ্কে আছে সাধারণ মানুষ ও নিরাপরাধ জামায়াত-শিবির কর্মীরা। কখন যেনি কার সন্তান গ্রেফতার হয়ে যায় এ ভয়ে অভিভাবকদের রাতের ঘুম হারাম।

তাদের ধর-পাকড়াও থেকে বাদ পড়ছে না সুধী, সাংবাদিক, সচেতন নাগরিকও। মনোহরগঞ্জ থানার পুলিশ আইন বহির্ভূত গ্রেফতার, হয়রানি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সরকার দলীয় নেতা-কর্মী সমর্থকরা এ সুযোগটি ব্যবহার করছে ভালোভাবেই। তারা পুলিশের সহযোগী হয়ে ধর-পাকড়াও বাণিজ্যে অর্থের ভাগ বসাচ্ছে।

মনোহরগঞ্জে ধর-পাকড়াও বাণিজ্যের এ দৌড়ে এএসআই হানিফ, সফি ও ইকরাম বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি মনোহরগঞ্জ থানার পুলিশ জামায়াত-শিবির সন্দেহে উপজেলার গণিপুর গ্রামের সাংবাদিক মিলন থেকে ২৬ হাজার, বিপুলাসারের ডা. নুরুল আলম থেকে ৬০ হাজার, ব্যবসায়ি বেলাল থেকে ৬০ হাজার, ফরহাদ মজুমদার থেকে ৯ হাজার, ফেনুয়া গ্রামের খোরশিদ থেকে ২০ হাজার, আশরাফুল আলম সুমন, দেলোয়ার হোসেনসহ অনেকের কাছ থেকেই এভাবে ধর-ছাড় বাণিজ্যে এ অর্থ হাতিয়ে নেয়। গত ৩০ মে সাংবাদিক মিলনের বাড়ী এএসাআই হানিফ ও সফি’র নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সন্ত্রাসী কায়দায় কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই বাড়ীর চারদিক ঘেরাও করে পরিবারের সকলকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মামলার হুমকি দিয়ে ২৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় এবং এ বিষয়ে পত্রিকায় সংবাদ ছাপালে ভীষণ ক্ষতি হয়ে যাবে বলে মিলন ও তার পরিবারকে হুমকি দেয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।