শনিবার দেশের চার সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণ

রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনে নির্বাচন শনিবার। এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছাস আর উৎসাহ। রাত পোহালেই নির্বাচন। তারা এখন নির্বাচনের প্রতীক্ষায়।

ইতিমধ্যে ভোটগ্রহণের পরিবেশকে সুষ্ঠু করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে প্রচারণা শেষ হয়।

এদিকে, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দীন।

প্র্রধান বিরোধী দল শুরু থেকেই সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়ে এলেও ইসি বলছে, সেনা মোতায়েনের মতো কোনো পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। তবে কোথাও এমন পরিবেশ সৃষ্টি হলে প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন সিইসি।

ভোটগ্রহণ সামনে রেখে রাজশাহীতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা-ব্যবস্থা। মোটরযানসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ এবং বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

বরিশালও প্রস্তুত নির্বাচনের জন্য। নির্বাচনী বিধিমালা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছেন নির্বাচন কমিশনের ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন দলের সদস্যরা। শহরের বিভিন্ন এলাকায়  নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা-ব্যবস্থা। পুলিশ ও র্যা বের পাশাপাশি টহল দিচ্ছেন বিজিবির সদস্যরা। কোনো প্রার্থীর সমর্থক বা কর্মীদের রাস্তায় জড়ো হতে দিচ্ছে না পুলিশ।

খুলনা নগরীতে চলছে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশের যৌথ টহল। নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে। বহিরাগতদের নগর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নগরীতে এবার ২৮৮ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রায় সাড়ে চার লাখ ভোটার।

সিলেটে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবির সদস্যদের। তাদের সঙ্গে আছেন র্যা ব ও পুলিশের সদস্যরা। নগরীর বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি চৌকি বসিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। নগরীর নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে শুক্রবার সকাল ১০টায় বিতরণ করা হবে নির্বাচনী উপকরণ। এবার নগরীর মোট ১২৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রে ভোট হবে ইভিএমএ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।