সিলেটের নগর পিতা আরিফুল হক চৌধুরী

১৮ দলীয় সমর্থক প্রার্থীরা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এক ঐতিহাসিক বিজয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন । সিলেটে ১৮ দল সমর্থিত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ৩৩ হাজার ৩শ’ ৫০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে সবকয়টি কেন্দ্রে তিনি ভোট পেয়েছেন ১০৬০০০। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান পেয়েছেন ৭২৬৫০। ওদিকে, বরিশালে আহসান হাবিব কামাল, রাজশাহীতে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, খুলনায় মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির জয়ের পথে রয়েছেন। আওয়ামী লীগ তথা ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী এইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, শওকত হোসেন হিরন ও তালুকদার আবদুল খালেকের চেয়ে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি সমর্থক প্রার্থীরা। এ যেন বুলেটের বিরুদ্ধে ব্যালটের বিজয়। এরআগে চারটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন দু’একটি ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ শেষ হয়। চার সিটির প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা ভোট দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষ থেকে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেয়া হলেও কোথাও ভোট স্থগিতের ঘটনা ঘটেনি। খুলনা ও বরিশালে একটি করে কেন্দ্রে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। বরিশালে কয়েক দফায় প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বি শওকত হোসেন হিরন ও আহসান হাবীব কামালের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কামাল এবং সাবেক একজন এমপি আহত হন। হিরণ দাবি করেছেন তিনি নিজেও আহত হয়েছেন। খুলনায় র‌্যাব পুলিশের ধাওয়া ও লাঠিচার্জে ইসলামী আন্দোলনের এক কর্মী নিহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে। সিলেটে জাল ভোটের অভিযোগ তোলা হয়েছে বিএনপি সমর্থিত আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষ থেকে। বিকাল চারটায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।