হোয়াইক্যং এ কান্জর পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় তলিয়ে গেছে: শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত

টেকনাফের হোয়াইক্যং কানজর পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় তলিয়ে গেছে ু। বিদ্যালয়ের অর্ধবাষকী পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে পার্শ্বের  নির্মাণাধীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে। জানা যায়, গত ৮জুন রাত্রে বিরামহীন বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের ¯্রােতে কান্জর উচ্চ বিদ্যালয়ের টিনসিড বেড়াঁর ভবনটি হেলে গিয়ে  ৫ফুটের অধিক মেঝের মাটি তলিয়ে গিয়ে পুকুরসম গর্ত সৃষ্টি হয়। এতে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণীর কক্ষ পুরো অনুপযোগী হওয়ার কারণে আড়াইশ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও পাঠদান চরম বিঘিœত হচ্ছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়-  বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের স্রোতে কানজর পাড়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষের একাংশ ধ্বসে পড়ে। পানির স্রোতে তলিয়ে যায় স্কুল ঘরের প্রায় ৫ ফুট মাটি এবং স্কুলের আঙিনার মাটি ব্যাপকভাবে থলিয়ে যাওয়াতে হাটু পরিমাণ পানি ও কাঁদা জমে উঠে। যার  কারণে উক্ত বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ হয়ে পড়ে। তবে পরিচালনা কমিটি ও স্কুল শিক্ষকরা পার্শ্ববর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের  দ্বিতীয় তলায়   চলমান অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষায় গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীরা  অংশগ্রহণ করে। ভবন ধ্বসের মারাত্মক ঝুঁকি ও পাহাড়ী ঢলের স্কুল ঘর তলিয়ে যাওয়ার মতো নাজুক পরিস্থিতির খবর পেয়ে গত ০৯ জুন বিকাল ৩টায় টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সফিক মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান এইচ.এম. ইউনুছ বাঙ্গালী সরজমিন পরিদর্শন করেন। সরজমিন পরিদর্শন করে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও প্রধান শিক্ষককে আশ্বস্ত করেন যত দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের। গতকাল শনিবার দুপুর ১ টায় টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোজাহিদ উদ্দিন তলিয়ে যাওয়া বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাও. নুর আহমদ আনোয়ারী,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দিলু, ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম,বিদ্যালয়ের  প্রতিষ্ঠাতা সদস্য খুরশেদ আলম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আব্দুল গফ্ফার, শাহ আলম, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুতুব উদ্দিন, স্থানীয় ইউপি মেম্বার ছৈয়দ হোসেন, রুহুল আমিন ও নুরুল আমিনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিগণ। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেলোয়ার হোসেন দিলু,খোরশেদ আলম চৌধুরী জানান- বিদ্যালয়টি পড়ার অনুপযোগী হলেও আমরা শিক্ষার্থীদের পড়া লেখার ব্যাঘাত ঘটতে দেওয়া হয়নি। তবে দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।