জীবননগর সীমান্তে হতাহতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে

বিএসএফের গুলিতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে হতাহতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। গত এক বছরে শুধু চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তেই নিহত হয়েছেন অন্তত ছয় জন। আবার অনেককেই আটক করে চালান করে দেয়া হচ্ছে ভারতের কারাগারে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিএসএফের সঙ্গে একের পর এক পতাকা বৈঠকের পাশাপাশি জনসচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বিজিবি। বেসরকারি টেলিভিশন সময়ের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কখনো সীমান্তবর্তী জমিতে গরু চড়াতে গিয়ে, আবার কখনো নদীতে গোসল করতে গিয়ে প্রায়ই বিএসএফের গুলিতে আহত বা নিহত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আর আটক করে নিয়ে গিয়ে ভারতের কারাগারে চালান করে দেয়া এখন সীমান্তবাসীর কাছে নিত্যদিনের ঘটনা। এদের মধ্যে দু’একজন ফিরে এলেও নানা জটিলতায় বেশিরভাগ বাংলাদেশীই জেল খাটছে ভারত কারাগারে।

সীমান্তবর্তী এলাকাবাসীরা জানান, বাংলাদেশের অংশের জমিতে চাষ করার সময়ও অনেককে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং গুলি করে বিএসএফের সদস্যরা।

এ সমস্যা সমাধানে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের পাশাপাশি জনসচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বিজিবি।

গত এক বছরে শুধু  চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তেই নিহত হয়েছেন অন্তত ছয় জন। আর আহত হয়েছেন আরো ৩০ থেকে ৪০ জন। এ সময়ে কমপক্ষে ১৫ জনকে আটক করে ভারত জেলে পাঠিয়েছে বিএসএফ। সর্বশেষ রোববার বিএসএফের গুলিতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বেনীপুর সীমান্তে আবারো এক বাংলাদেশী নিহত হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাই কমিশনার পঙ্কজ শরন দাবি করেছেন, গত ছয় মাসে সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। অথচ যেদিন তিনি একথা বলেন সেদিনই বেনাপোল সীমান্তে দুই বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। এ ঘটনায় বিএসএফ’র তিন জোয়ানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ভারত সরকার।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।