পরশুরামে বানিজ্যিক ভাবে আম চাষে সফল্য

চলতি মৌসুমে ও ফেনীর পরশুরামে বানিজ্যিক ভাবে আম চাষে রেকর্ড পরিমান সফলতা দেখিয়েছেন আমচাষিরা। এখানকার অনেকে এখন নিজেদের পরিত্যাক্ত  ও উচু জমিতে আমচাষে খুবই আগ্রহী হয়েছেন ।  তার মধ্যে বেশীরভাগ বানিজ্যিক ভাবে সফল হয়েছেন। উপজেলার  বিভিন্ন স্থানে আমের বাগানের চাষাবাদ বেড়ে যাওয়া স্থানীয় ভাবে এখন  আমের চাহিদা অনেক কাংশে পুরন হচ্ছে। বতর্মানে  বানিজ্যিক ভাবে লাভ জনক বেশ কিছু বড় আমবাগান রয়েছে বলে স্থানীয় কৃষি অফিস কমৃকতৃারা জানিয়েছেন ।
পরশুরাম উপজেলায় চলতি মৌসুমে বানিজ্যিক ভাবে সফল ও লাভজনক আমবাগান রয়েছে  বিলোনিয়ায় ওই আমবাগানের মালিক বিলোনিয়া স্থল বন্দর লোড আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো  ইব্রাহিম । তিনি গতকাল এই প্রতিবেদক কে জানান বিলোনিয়া স্থল বন্দর সংলগ্ন স্থানে তার নিজস্ব পরিত্যাক্ত জমিতে তিনি প্রায় ৩  শ আম গাছ লাগিয়েছেন চলতি বছর প্রথম তার বাগানে আম ধরেছে তিনি বানিজ্যিক ভাবেও লাভজনক বলে  জানান । তার বাগানের আম গত সপ্তাহ থেকে বিক্রি শুরু করে দিয়েছেন প্রতিকেজি আম বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৭০ টাকা করে।
এছাড়াও কাউতলীতে নবী চৌধুরীর একটি বানিজ্যিক ্ভাবে সফল আমবাগান রয়েছে।  পরশুরাম উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছেন উপজেলার পৌর এলাকার কালা মিয়া , জামাল চৌধূরী, অনন্তপুরে আবুল বশরের ও বানিজ্যিক ভাবে   সফল  আম বাগান রয়েছে। এছাড়াও চিথলিয়া ও মির্জানগর ইউনিয়নে ও একাধিক বানিজ্যিক আমবাগান রয়েছে।
পরশুরাম উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা যায় পৌর এলাকার বাউর খুমা গ্রামের আবদুর রহিম (৫০) তার নিজের পরিত্যাক্ত অনাবাদি সাড়ে ৫  একর জমিতে আমের বাগান করেছেন তিনি বিভিন্ন জাতের প্রায় আড়াই হাজার আমের চারা লাগিয়েছেন ২০০৭ সালে । বর্তমানে তার সব গাছের আম ধরেছে তবে গত বছরের চেয়ে চলতি বছর তুলনামুলক ভাবে আম কম ধরেছে। আবদুর রহিম জানান গত ৪ বছর ধরে সেই বানিজ্যিক ভাবে আম বাগানে আর্থিক ভাবে  লাভবান হয়েছেন।
মো ইব্রাহিম ও আবদুর রহিমের আম বাগানে বিভিন্ন জাতের আম রয়েছে তার মধ্যে আমরূপালি  ,মলিক্কা, সুবর্ন রেখা, গোপালভোগ. হিমসাগর. ল্যাংরা সশাা ও ফজলী সহ বিভিন্ন জাতের আম গাছ রয়েছে।
আবদুর রহিম জানান তিনি এই জমিতে প্রথমে আখ চাষ করতেন কিন্তু তাতে পরিশ্রমের তুলনায় কম লাভজনক হওয়ায় আখ চাষ বাদ তিনি আম চাষের উদ্যোগ নেয়।
আমবাগান মালিক মো ইব্রাহিম জানান উপসহকারী  কৃষি কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এর পরামর্শ ক্রমে ব্রাকের  কুমিল্লা অফিস থেকে আমের চারা কিনে এনে তার জমিতে লাগায় তার পর থেকে বাগানে দিন রাত পরিশ্রম শুরূ করেন ।
পরশুরাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান পরশুরাম উপজেলায় এখন বেশ কয়েকটি স্থানে বানিজ্যিক ভাবে আম বাগান করে সফল হয়েছে।  এতে স্থানীয় ভাবে আমের চাহিদা কিছুটা হলেও পুরুন হয়েছে । তিনি জানান এখন স্থানীয় বাজারের দোকান  গুলিতে স্থানীয় আমবাগান থেকে  দোকানিরা আম কিনে বিক্রি করতেছে ক্রেতার ও স্থানীয় আমবাগানের আম কিনতে বেশী আগ্রহী।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।