লিমন ইস্যুতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা মানবাধিকার পরিপন্থি: টিআইবি

দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান র‍্যাবের  বিরুদ্ধে লিমনের মায়ের দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে মধ্যস্থতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন মর্মে প্রকাশিত সংবাদে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে । তারা মানবাধিকার পরিপন্থি কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কি সরকার ও র্যা বের অঙ্গ সংগঠনে পরিণত হয়েছে? র‍্যাবের গুলিতে লিমন নির্মমভাবে পা হারিয়েছে, সেই র্যা বের দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের পূর্বশর্ত হিসেবে ‘মধ্যস্থতা’র নামে লিমনের মায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারি ও র‍্যাবের উদ্যোগে সহযোগিতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে কমিশন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার লাভে নাগরিকের সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি কাজ করেছেন বললে অত্যুক্তি হবে না।”

তিনি আরো বলেন, “মানবাধিকার কমিশন র‍্যাবের নিষ্ঠুরতার শিকার লিমন ও তার পরিবারের পরিবর্তে এ অপরাধের জন্য অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে লিমনের পরিবারের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও হতাশাব্যঞ্জক। এর ফলে কমিশনের ভাবমূর্তিই কেবল ক্ষুন্ন হয়নি, বরং একইসঙ্গে কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” বিবৃতিতে জনগণের মৌলিক অধিকার পরিপন্থি যেকোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।