কক্সবাজারে ভাড়াটিয়ার নির্যাতনের শিকার এক হোটেল মালিক

কক্সবাজার শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত হোটেল আল মুবিন কমপ্লেক্স।ওই হোটেলের স্বতাধিকারী মোহাম্মদ মাওলানা মুবিনুল হককে বিভিন্নভাবে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে  গত ৭ জুলাই ১৯৯০সালে বিনা জামানতে মাসিক ৪ শত টাকার ভাড়ামূলে ৩ টাকার নন-জুড়িশিয়াল স্ট্যাম্পে ভাড়াটিয়ার চুক্তিনামা সম্পাদিত হয়েছিল। সূত্রে প্রকাশ,হোটেল আল-মুবিনের সিড়িঁর নিচে পান দোকানের জন্য জনৈক ভাড়াটিয়া বাঁশখালীর বাসিন্দা মতিলাল দাশের সাথে এই ২য় দফায় চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। পরে চুক্তিনামার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় ২ দফা গত ১৩ জুন ২০০৮ সালে ১০ হাজার টাকা জামানাত ও ৫শত টাকার মাসিক দোকান ভাড়ামূলে আরেকটি চক্তিনামা সম্পাদিত হয়েছিল।

ওই ভাড়াটিয়া পান দোকানদার দীর্ঘমেয়াদী ভাড়া থাকার সুবিধা নিয়ে এখন নিজেই হোটেল আল-মুবিনের মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখে আসছে। সূত্রে আরো জানায়, গত ৭ জুলাই ১৯৯০ সালে জনৈক সুরেশ চন্দ্র দাশ কক্সবাজার সাব রেজিষ্ট্রারী ২০৩২ নম্বার  রেজিষ্ট্রারী মূলে রামুর চাকমার কুলের বাসিন্দা মৃত.জাফর আহমদের ছেলে মোহাম্মদ মুবিনুল হকের কাছে রেজিস্ট্রারীমূলে বিক্রি সম্পাদিত হয়েছিল। বর্তমানে আল-মুবিনের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মুবিনুল হকের নামে ৮৮৮ নম্বার মূলে নামজারী খতিয়ানও প্রকাশ রয়েছে। তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি ও হোটেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাড়াটিয়া পান দোকানদার মতিলাল দাশ সন্ত্রাসী চক্রসহ ওই হোটেলটি জবর দখল করার জন্য বিভিন্ন তদবির চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, মোহাম্মদ মুবিনুল হকের নামে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রচারসহ আদালতে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে কথিত ভাড়াটিয়া মতিলাল দাশ মোহাম্মদ মুবিনুল হককে হয়রানী করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু মাওলানা মুবিনুল হকের হোটেল ও সম্পতির কাগজপত্র সঠিক থাকায় কোন পাত্তায় পারচ্ছে না কথিত ভাড়াটিয়া পানের দোকানদার মতিলাল দাশ।

তার পরও মতিলাল দাশের তদবিরের শেষ নেই। এ ব্যাপারে ভাড়াটিয়া মতিলাল দাশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি অসুস্থ বলে জানান। অন্যদিকে নির্যাতিত হোটেল আল মুবিনের স্বত্বাধিকারী মাওলানা মোহাম্মদ মুবিনুল হক জানান, মতিলাল দাশ আমার ভাড়াটিয়া পানের দোকানদার। ২য় দফা চুক্তিমূলে জামানত দিয়ে এই পানের দোকনটি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ করে আসছে। কিন্তু  কিছু কুচক্রীমহল মতিলালকে মিথ্যা প্রলোভনে ফেলে আমার বিরুদ্ধে অপ্রচারসহ হোটেল আল-মুবিন দাবী করে আসছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে সু-বিচারের জন্য দাবী জানিয়েছেন আল-মুবিনের অসহায় পরিবার।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।