ফেনী পিটিআই পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষকের হাতে শিক্ষার্থীর শ্লিলতা হানির অভিযোগ

ফেনী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক প্রশিক্ষন ইনন্সিটিউট (পিটিআই) ইন্সট্রাক্টার কৃর্তক এক প্রশিক্ষনার্থীর শ্লিলতা হানির অভিযোগে পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পরিক্ষা বর্জন করেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককেরা। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,  বুধবার দুপুরে  প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক প্রশিক্ষন ইনন্সিটিউট পিটিআইতে প্রশিক্ষনার্থীদের পরীক্ষা চলাকালে ইনসট্রাকটর আমিনুল ইসলাম ফেনী সদর উপজেলার জনৈক স্কুল শিক্ষিকা ফাতেমার কাছে নকল থাকার অভিযোগে তার গোপন স্থানে হাত দেয়। এ সময় উক্ত শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে এর প্রতিবাদ করলে সঙ্গে সঙ্গে সকল শিক্ষার্থী এ প্রতিবাদে বাক-বিতন্ডতা শুরু করে এক পর্যায়ে পরীক্ষা বর্জন করে। এনিয়ে স্থানীয় যুবলীগ নামদারী পৌর মেয়রের প্রতিনিধি আমজাদ হাজারীর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখিয়ে পিটিআই সুপার রায়হুল করিমের নেতৃত্বে তার কক্ষে দুপুর ২টায় জরুরী বৈঠক করে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে পরীক্ষা আদায় করে। প্রতিষ্ঠান সুপার ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করেছে। প্রশিক্ষনার্থী ও অফিস কর্মচারীদের অভিযোগ ইনসট্রাকটর অমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে  ইতিপূর্বে এ সব অভিযোগে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ বারবার পিটিআইতে এসব ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কোন ব্যবস্থা না থাকাতে শিক্ষকেরা বেপরোয়া হয়েছে উঠেছে এবং নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে স্থানীয় ক্যাডারদের সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে চলছে। আমিনুল ইসলাম ইতি পূর্বে এ সব কর্মকান্ডের দায়ে লাঞ্চিত ও শান্তিমূলক বদলী হলেও পূনরায় ফেনীতে ফিরে আসে। এ ব্যাপারে আমিনুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তিনি ছাত্রীদের কাছে নকল দেখতে পেয়ে তা বের করার চেষ্টার করছেন মাত্র। পিটিআই ইন্সিটিউটের সুপার রাহুল করিম জানান ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে কতিপয় লোকজন প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।