টেকনাফের হাটবাজারে প্রশাসনের নজরদারী নেই

পবিত্র মাহে রমজান অতি সন্নিকটে হলেও এখনো টেকনাফের হাটবাজারে  প্রশাসনের নজরদারী দেখা যাচ্ছে না।  চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘোষনার সাথে সাথে নিয়ম কানুন  না মেনে নিত্য পন্য সামগ্রী দাম বাড়িয়ে অবাধে বিক্রি করে যাচ্ছে  অসাধু  ব্যবসায়ীরা এরা মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। তাই আজ টেকনাফের সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কিভাবে এরা বাজেটে দাম বৃদ্ধি না হওয়ার আগে এবারের বাজেটে দাম বেড়েছে বলে হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে অধিক মুনাফা আদায় করে নিচ্ছে । সরজমিনে টেকনাফের হাট বাজার ঘুরে দেখা যায়- তৈল, চিনি, ছোলা, দুধ, চাউল, পিয়াজ, রসুন, মরিচ, সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীমহল।

গত ১০/১৫দিনের ব্যবধানে এ সমস্ত খাদ্য সামগ্রী প্রতি কেজিতে ১০/২০ টাকা করে বেশি আদায় করা হচ্ছে।  এ সমস্ত অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে পাইকারী কিছু অসাধু দোকানদার। তারা হচ্ছে- টেকনাফ উপরের বাজারের মোঃ আলী সওদাগর, সিরাজ সওদাগর, আবুল হোসেন সওদাগর, বাবুল সওদাগর, অনুপ পাল, গফুর সওদাগর ও নেজাম সওদাগর বাস ষ্টেশনের কাসেম সওদাগর, রহমান সওদাগর, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ সমস্ত পাইকারী অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন টেকনাফের ছোট ছোট খূচরা দোকানদারেরা। তাই টেকনাফের সুশীল সমাজ ও ক্রেতা সাধারণ অভিযোগ করে বলেন- এই কয়েকজন দোকানদারদের প্রতিনিয়ত মূল্য বৃদ্ধির কারণে কষ্ট পাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা ।

তারা গরীবের পেটে লাথি মেরে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । তারা আরো বলেন- পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে টেকনাফের হাটবাজার গুলোতে সরকারীভাবে মনিটরিং করা প্রয়োজন এবং বাজার গুলোতে সঠিক মূল্য তালিকা টাঙ্গানো উচিত।  বাজার মনিটরিং বিষয়ে জানতে চাইলে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোজাহিদ উদ্দীন জানান- দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের নজরদারী অব্যহত থাকবে। কোন অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে  অতিরিক্ত দামে বিক্রির সঠিক প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেন পবিত্র রমজানমাসে নিম্ন আয়ের মানুষেরা সঠিক মূল্য দিয়ে নিত্যপন্য সামগ্রী ক্রয় করতে পারে। আর য়ারা নিয়ম কানুন না মেনে বেশি দামে বিক্রি করছে। মনিটরিং করে তাদেরকে জরিমানা করে আইনের আওতায় নিয়ে আনা হবে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।