মহেশখালীতে টানা বর্ষণে চিংড়ীঘের ও ধানের বীজতলা সহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ককসবাজারের মহেশখালীতে পৌরসভা ও আট ইউনিয়নে সম্প্রতি টানা প্রবল ভারী বর্ষনে ধানের বীজতলা, চিংড়ীঘের সহ নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে অসংখ্য পরিবার। জানাযায়, ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাদের মধ্যে ধলঘাটা,মাতারবাড়ি ও সোনাদিয়া অন্যতম উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক জরিপ চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি সামান্য পরিমান অনুদান দিলে ও বেশীর ভাগ জনগন অভাব অনটনে দিনাতিপাত করছে। আরো জানাযায়,গোরকঘাটার চরপাড়া,ছোট মহেশখালীর জালিয়াপাড়া, ঠাকুরতলা, শাপলাপুরের জেএমঘাট,কালারমারছড়া ও হোয়ানকের একাংশ এবং কুতুবজোমের ঘটিভাঙ্গা সহ উপজেলা একাধিক নিম্নাঞ্চল প্লাবিত পাশাপাশি পুর্ণিমার জোয়ারের পানিতে অনেকাংশের পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ ও হুমকির শিকার হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ধলঘাটা ইউনিয়নের রক্ষাকবচ কোটি কোটি টাকার বেড়ীঁ বাধঁ সাগরের থাবায় ভেঙ্গে যাওয়ায় মহেশখালীর অনেকাংশে হুমকির মুখে পতিত হচ্ছে অপরদিকে মহেশখালীর প্রান কেন্দ্র পৌরসভাস্থ গোরকঘাটার দক্ষিন পার্শ্বস্থ সাগর ঘেসাঁ বেড়ীঁ বাধ ও ঝাউবাগান কেটে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা বাড়ি ঘরের কারনে মহেশখালীর দক্ষিন পার্শ্বস্থ ও হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকার সচেতন মহলের দাবী। এ ব্যাপারে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ারুল নাছের জানান, প্রবল বর্ষনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তালিকা তৈরী করে সাধ্যমতে সহযোগীতা করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্থদের ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। উপকুলীয় ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ চৌধুরী জানান,মুলত দ্বীপের লোকজন সম্পতাদী ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পেছনে কারন হচ্ছে লোকবলের অসচেতনতা ও পরিবেশ ধ্বংসকারীর ছোবল।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।