রায়পুরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা না নেয়ার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বৃস্পতিবার (৪ জুলাই) রাতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ ৭ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দোকান লুট ও বাড়ী ভাংচুরের অভিযোগে থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে ওসির বিরুদ্ধে। এঘটনায় ওসির বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে ফ্যাক্সযোগে ও ফোনে অভিযোগ দিয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুলাই) দুপুর ২টায় সুনামগঞ্জ বাজারের এক ব্যবসায়ীর দোকানে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন বাবুল ও একই এলাকার বাসীন্দা ঢাকা জজ কোর্টের এড. শরিফ উদ্দিন জসিম এ অভিযোগ করেন। থানায় মামলা করতে না পারায় তা আগামী রোববার আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

তাদের লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মুজাম্মেল হকের হুকুমে ইউপি সদস্য ও বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল গনি, জহির আলম বাচ্চু, শাহআলম, মো. আলী, মো. শাহাজান, আবু সায়েদ ও রুবেল তার ব্যবসায়ীক দোকানে এসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। না দিলে ও প্রতিবাদ করায় আমাকেসহ আলাউদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, জামাল হোসেন ও নজরুল ইসলামকে কুপিয়ে মুদি দোকান ভাংচুর করে ক্যাশে থাকা ৪৬ হাজার ৩০০ টাকা নিয়ে যায়। একই সময়ে ব্যবসায়ীর বাড়ীর এডভোকেটের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল তি করে। এঘটনায় তারা উভয় তিগ্রস্থ ব্যক্তি গত বৃস্পতিবার রাতে থানায় গিয়ে মামলা করতে যান। কিন্তু সে মামলা না নিয়ে তাদেরকে আগামী ৮ জালাইয়ের পরে মামলা নেওয়া হবে বলে ওসি জানিয়ে দেন। এঘটনায়ও পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মুজাম্মেল হকসহ অন্যরা জানান, আমাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা ও ভীত্তিহীন। তারা মিথ্যা মামলা করার পায়তারা করছেন।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম চৌধুরী জানান, মামলাটি না করার জন্য ওই ব্যবসায়ী ও এডভোকেট অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আবার রাতে মামলা করতে আসে। তাদের দলীয় কোন্দলের কারনে মামলাটি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমার উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে মামলাটি নেওয়ার কথা তাদেরকে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।