কুড়িগ্রামে ৩৬ ইউনিয়নের সাড়ে তিনশ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি

কুড়িগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বাড়ি-ঘর এখনো তলিয়ে থাকায় বানভাসি পরিবারগুলো আশ্রয়কেন্দ্র ও বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ছাড়তে পারছে না। ফলে বানভাসিদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্যায় জেলার ৩৬টি ইউনিয়নের সাড়ে তিনশ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ এখনো পানিবন্দি জীবন-যাপন করছে।  এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও ওষুধের সংকট। গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষজন।

বানভাসিদের জন্য সরকারিভাবে ১০০ টন চাল ও পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও দুর্গতদের অনেকের ভাগ্যে তা জোটেনি।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন চর ও দ্বীপ চরের মানুষজন বাঁশের মাছা, নৌকায় আশ্রয় নিয়ে নিদারুণ কষ্টে দিন পার করছে। দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণসামগ্রী না পৌঁছায় অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটছে তাদের।
বন্যায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করতে বের হতে পারছে না।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি ২৯ সেন্টিমিটার, তিস্তার পানি ২৩ সেন্টিমিটার,  চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১৩ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।